• ঢাকা
  • রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৮, ২০২৩, ১২:০৭ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১৮, ২০২৩, ১২:০৭ এএম

দেশে বেড়েছে মাতৃমৃত্যু

দেশে বেড়েছে মাতৃমৃত্যু
ছবি ● প্রতীকী

দেশে জন্মহারের পাশাপাশি শিশু ও মাতৃমৃত্যু বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২১ শিরোনামের প্রতিবেদনটি সোমবার প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। বিবিএস মহাপরিচালক মতিয়ার রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থুল জন্মহার বেড়ে হয়েছে ১৮ দশমিক ৮ জন। এর আগের টানা দুই বছর যা ছিল ১৮ দশমিক ১ জন।

বিবিএসের প্রতিবেদন বলছে, শহরের চেয়ে গ্রামে জন্মহার বেশি। গ্রামে জন্মহার ১৯ দশিমক ৫ জন। আর শহরাঞ্চলে এই হার ১৬ দশমিক ৪ জন। গ্রামের তুলনায় কমলেও শহরের জন্মহার আগের বছরে চেয়ে ২০২১ সালে বেড়েছে। 

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, জন্মহার এখনও অনেক বেশি। অনেক দেশের চেয়ে জনঘনত্ব তিনগুণ।

জনসংখ্যার আধিক্য অনেক সমস্যা সৃষ্টি করছে জানিয়ে তিনি বলেন, খাদ্য আমদানি–রপ্তানি ব্যবস্থাপনায়ও সমস্যা সৃষ্টি করছে। জনবিন্যাস নিয়ে পরিকল্পনা নিতে হবে। জন্মনিয়ন্ত্রণে আশির দশকের গতি আবারও ফিরিয়ে আনতে হবে।

দেশে অবশ্য জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্বতি ব্যবহারও বেড়েছে। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৬ জন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্বতি ব্যবহার করেছেন। এর আগের বছর যা ছিল ৬৩ দশিমক ৯ শতাংশ।

শিশু এবং মাতৃমৃত্যু রোধে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্ব স্বীকৃত। তবে ২০২১ সালে দুই ধরনের মৃত্যুই বেড়েছে। বিবিএসের প্রতিবেদন বলছে, প্রতি এক লাখ জীবিত জন্মশিশুর বিপরীতে মাতৃমৃত্যু বেড়ে হয়েছে ১৬৮ জন। আগের বছর ছিল ১৬৩ জন। জন্মদান কালে গ্রামের মায়েরাই বেশি মৃত্যুবরণ করে থাকেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রামে মাতৃমৃত্যু প্রতি লাখে ১৭৬ জন, যা শহরে ১৪০ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রতি হাজারে মারা গেছে ২২ জন। এর আগের বছর এই হার ছিল ২১ জন।

মেয়ে শিশুর চেয়ে ছেলে শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি।  ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার টানা তিন বছর ২৮ জনে অপরিবর্তিত রয়েছে।

জাগরণ/স্বাস্থ্য/কেএপি