• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৩, ১২:২১ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৭, ২০২৩, ০৬:২১ পিএম

‘দক্ষিণ এশিয়ায় বেকারত্ব বাড়বে আড়াই শতাংশ’

‘দক্ষিণ এশিয়ায় বেকারত্ব বাড়বে আড়াই শতাংশ’

চলতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার কর্মসংস্থানের গতি গেল বছরের চেয়ে অর্ধেক কমে যাবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।

ইউরোপ অঞ্চলে মন্দাভাব থাকায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমতে পারে, বলছে প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ার্ল্ড এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল আউটলুক : ট্রেন্ডস ২০২৩ নামক শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াতে পারে মাত্র ১ শতাংশ। অর্থাৎ এ বছর সারা বিশ্বে বেকার তরুণদের সংখ্যা প্রাক্‌-মহামারি সময়ের নির্ধারিত মানদণ্ডের চেয়ে প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে আইএলও।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ বছর দক্ষিণ এশিয়ায় বেকারের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৫ কোটি ৪১ লাখ, যা গত বছরের চেয়ে প্রায় আড়াই শতাংশ বেশি।

মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ঋণের প্রবৃদ্ধির হার কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির এই অবনতি হবে। এর ফলে ২০২৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৩ শতাংশ।

আইএলওর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেকারত্ব ছাড়া আরেকটি উদ্বেগের বিষয় চাকরির মান। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ার অর্থ হলো—অনেক কর্মীকে নিম্নমানের কাজ নিতে হবে খুব কম বেতনে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী সব কিছুর দামই এখন ঊর্ধ্বমুখী। সে অনুপাতে বাড়েনি শ্রম আয়। জীবনযাপনের ব্যয় বৃদ্ধি আরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংকটের সময় উপার্জন রেখাচিত্রে উল্লেখযোগ্য অবনমন দেখা গিয়েছিল। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অনেক দেশের নিম্ন আয়ের মানুষ।

আইএলওর প্রতিবেদনে শ্রমবাজারের আরেকটি দিক চিহ্নিত করা হয়েছে। তা হলো বৈশ্বিক চাকরির ব্যবধান। এ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা কর্মসংস্থান চাইলেও সক্রিয়ভাবে চাকরির সন্ধান করছেন না। হয়তো তাদের চাকরি অনুসন্ধানে উৎসাহ নেই। আবার অনেকে অন্য দায়িত্বের ঘেরাটোপে আটকে থাকায় চাকরির সন্ধান করতে পারছেন না। গত বছর বৈশ্বিক চাকরির ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৪৭ কোটি ৩০ লাখে। এ সংখ্যা ২০১৯ সালের চেয়ে প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ বেশি।

জাগরণ/শ্রমবাজার/কেএপি