• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৩, ১১:৪৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৬, ২০২৩, ১১:৪৭ পিএম

ইউক্রেন যুদ্ধের নতুন মোড়

ইউক্রেন যুদ্ধের নতুন মোড়
ছবি ● সংগৃহীত

ইউক্রেনে নতুন অস্ত্র আসছে। মিত্রদের কাছে কিয়েভের নতুন চাওয়া যুদ্ধবিমান। ইউক্রেনের অনুরোধে সাড়া দিয়ে প্রায় এক মাস ধরে ঝুলে থাকার পর যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি সেখানে তাদের ট্যাংক পাঠাতে সম্মত হয়েছে।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে এর প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ অস্ত্র পাঠানো মানে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া। ইউক্রেনের দীর্ঘদিনের অনুরোধে সাড়া দিয়ে এভাবে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়টিকে ইউক্রেন যুদ্ধের নতুন মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইউক্রেনে তীব্র হামলা শুরু করেছে রুশ বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে উন্নত ট্যাংক (লেপার্ড-২) দেয়ার ঘোষণা দেয়ার পরপরই এ হামলা শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে কিয়েভ ও ওদেসা অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেন রুশ সেনারা। এর আগে রাতেও ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়। এ হামলায় কিয়েভে একজন নিহত হয়েছেন। ওদেসা অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিন সকাল থেকেই কিয়েভজুড়ে বিমান হামলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। হামলা থেকে বাঁচতে লোকজন রাজধানীর মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন। গত অক্টোবর মাস থেকেই রুশ সেনারা ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেন। এ কারণে এই তীব্র শীতের মধ্যেও দেশটির মানুষকে বিদ্যুৎহীন কাটাতে হচ্ছে।

রুশ হামলায় বিধ্বস্ত বিদ্যুতের লাইন মেরামত করছেন কর্মীরা। গতকাল ইউক্রেনের কিয়েভের শিল্প এলাকায়।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর মুখপাত্র ইউরি ইহনাত বলেন, ছয়টি টিউ-৯৫ যুদ্ধবিমান থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। তাঁর দাবি, ৩০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী সেগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কিয়েভে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। তবে এখনো হুমকি বিদ্যমান। তাই বাসিন্দাদের এখনই আশ্রয়স্থল ছাড়তে নিষেধ করা হয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই কিয়েভের দুটি জেলায় বড় ধরনের দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন। আহত হন দুজন। কিয়েভ ছাড়াও ওদেসায় বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

ইউক্রেনের সেনারা দাবি করেন, বৃহস্পতিবার রাতে রুশ সেনাদের চালানো ড্রোন হামলার সময় ২৪টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ড্রোন কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায়। এ হামলার তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।