• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২২, ০১:১০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ১৬, ২০২২, ০৭:১০ পিএম

হঠাৎ বন্যা জকিগঞ্জে

হঠাৎ বন্যা জকিগঞ্জে
সংগৃহীত ছবি

টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় সুরমা নদীর পাড় ভেঙে হঠাৎ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার বারহাল, মানিকপুর, কাজলসার, বিরশ্রী ইউনিয়নের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

সোমবার (১৬ মে) বিকেল ৫টা পর্যন্ত সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন নতুন এলাকা ও নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

জকিগঞ্জের বারহাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ জানান, নোয়াগ্রাম, উত্তর খিলোগ্রাম, চকবারাকুলি, শরীফাবাদ, শাহগলী বাজার ও কচুয়া এলাকায় সুরমা ডাইক ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে বোরো ধান। 

বিরশ্রী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার জানান, সুপ্রাকান্দি ও বড়চালিয়া গ্রামের বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যে কোনও সময় বাঁধ ভেঙ্গে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করার আশঙ্কা রয়েছে। 

তিনি জানান, মানিকপুর ইউনিয়নের বাল্লা, দাপনিয়া এলাকা দিয়েও সুরমা জকিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, উজানের ঢলে প্রায় ২০ হেক্টর জমির সবজি, ১০ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন পুকুর ও খামারের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। 

গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। 

জকিগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও পল্লব হোম দাস জানান, নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য প্রস্তুতি নিতে জানানো হয়েছে। 

পানিবন্দি মানুষের জন্য সরকার ১৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ করেছে। ৫ ইউনিয়ন পরিষদে ১২ মেট্রিক টন চাল বণ্টন করা হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সুরমা-কুশিয়ারার একাধিক স্থানের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পাউবো কাজ করছে। 

জকিগঞ্জ-কানাইঘাট (সিলেট-৫) এলাকার সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদে জরুরি সভা আহ্বান করেছেন। 

জাগরণ/পরিবেশ/স্বদেশ/এসএসকে/কেএপি