• ঢাকা
  • বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭
প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২০, ০৯:৫৮ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ১৩, ২০২০, ০৯:৫৮ এএম

সাফল্য পেতে সৌন্দর্য ব্যবহার করেন সাবরিনা

জাগরণ ডেস্ক
সাফল্য পেতে সৌন্দর্য ব্যবহার করেন সাবরিনা
ডা. সাবরিনা ● সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছেন ডা. সাবরিনা। প্রথম পরিচয় জেকেজির চেয়ারম্যান হলেও আসলে তিনি হৃৎরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন। করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার দায়ে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন স্বামী আরিফ চৌধুরী। কিন্তু পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে হৃৎরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছিলেন ডা. সাবরিনা। ভেবেছিলেন এবারও পার পেয়ে গেলেন কিন্তু তা আর হলো না।

সুন্দরী, শিক্ষিতা ও মেধাবী চিকিৎসক, ডা. সাবরিনা। দ্রুত সম্পদশালী হতে এসবকেই পুঁজি হিসেবে নিয়েছিলেন তিনি। হৃৎরোগ ইনস্টিটিউটের সহকর্মী, জেকেজির কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই অকপটে তথ্য দিয়েছেন।

জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকার শ্যামলীতে নিজ বাসায়। বাবা ছিলেন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা। ভিকারুন নিসা স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেছেন। এরপর সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ২৭তম বিসিএসে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি।

মেধাবী হওয়া সত্বেও নিজের সৌন্দর্য্যকে ব্যবহার করেছেন পদে পদে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরেছেন খোলামেলাভাবে। যার মাধ্যমে ফায়দা নিয়েছেন বরাবর।

সুশৃঙ্খল ছিলেন না পারিবারিক জীবনেও। টেকেনি প্রথম সংসার, এক সন্তানকে নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন। তারপর পরিচয় হয় আরিফ চৌধুরীর সঙ্গে। যিনি জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রধান নির্বাহী। আগে তিন বিয়ে করেছেন জেনেও বন্ধনে জড়ান ডা. সাবরিনা। এর মধ্য দিয়ে পেয়ে যান প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। তার ওপর নির্ভর করেই করোনার নমুনা সংগ্রহ শুরু করেন। পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেন। এর মধ্য দিয়ে বাগিয়ে নেন কাঁচাটাকা।

হৃৎরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সাবরিনা। একই সাথে জেকেজির চেয়ারম্যান। এটাই একটা অনিয়ম, তার ওপর ভুয়া রিপোর্ট দেয়ায় এবার শেষ রক্ষা হলো না। গ্রেফতার হয়েছেন, বরখাস্ত হয়েছেন সরকারি চাকরি থেকেও।

কেএপি

আরও পড়ুন