• ঢাকা
  • বুধবার, ০৬ জুলাই, ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ২৮, ২০২২, ১১:০৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২৮, ২০২২, ০৫:০৫ পিএম

নেদারল্যান্ডে নিখোঁজ পুলিশের একজন থেকে গেছেন স্বেচ্ছায়

নেদারল্যান্ডে নিখোঁজ পুলিশের একজন থেকে গেছেন স্বেচ্ছায়
সংগৃহীত ছবি

পুলিশের বিশেষ বাহিনী ডগ স্কোয়াডে প্রশিক্ষণ শেষে নেদারল্যান্ডে নিখোঁজ রয়েছে রাসেল চন্দ্রসহ দুইজন পুলিশ সদস্য। গ্রুপের সঙ্গে না পেয়ে নিখোঁজের পর তারা কোথায় এখনও জানেনা পুলিশ।

চট্টগ্রাম থেকে নেদারল্যান্ডে প্রশিক্ষণে যাওয়ার পর নিখোঁজ দুইজনের মধ্যে একজন রাসেল চন্দ্র দে। তার বাড়ি কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের পল্লাইন্না কাটা এলাকায়। 

রাসেলের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, পরিবার তার খবর জানেন। নিখোঁজের পর একবার যোগাযোগ হয়েছিল ফোনে। 

রাসেলের বরাত দিয়ে বড়ো ভাই সুভাষ চন্দ্র বলেন, ‘সে পালিয়ে আছে। এ নিয়ে রাগারাগি করলে ফোন কেটে দিয়ে পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।’

মা রেবা রাণী দে ও বড়ো বোন কমলা পাল বলেন, ২০ মে স্ত্রী পম্পী রাণী দে’র সঙ্গে সবশেষ তার কথা হয়। স্ত্রীকে সে বিভিন্ন কসমেটিক জিনিসপত্র কেনার কথা বলেছেন। কিন্তু তারপর থেকে আর কোনও যোগাযোগ হয়নি। ২৫ মে পুলিশ আমাদের জানায় রাসেল নিখোঁজ। এরপর দুবাই প্রবাসী আমার ভাই সুভাষ চন্দ্রকে এ তথ্য জানায়।

পরে ২৬ মে বড়ো ভাইকে সে হোয়ার্টসঅ্যাপে একটি নম্বর থেকে ফোন দিয়ে জানায়, তার পুলিশের চাকরি ভাল লাগে না। তাই এখানে থেকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তখন বড়ো ভাই বকা দিলে সে ফোন কেটে দিয়ে ভাইকে ব্লক করে দেয়। এরপর আর কোনও যোগযোগ হয়নি।

চট্টগ্রাম পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষণ নিতে গত ৯ মে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের আট সদস্যের একটি দল যায় নেদারল্যান্ডসে। প্রশিক্ষণ শেষে ফিরে আসার আগের দিন থেকে নিখোঁজ হন তাদের দুজন। 

পুলিশের দাবি—  প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফেরার আগের দিন ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে হোটেল থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় রাসেল। পরে কোনও খোঁজ না পেয়ে তাদের ছাড়াই গত ২৪ মে অন্য ছয়জন ফিরে আসেন।

জানা যায়, রাসেল ২০১৬ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দেন। ২০২১ সালের জুনে সে বিয়ে করে। তার সংসারে তিন মাস বয়সী একটি সন্তানও রয়েছে।

তাদের নিখোঁজ বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (সদর) আমির জাফর বলেন, পুলিশ সদরদফতর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের খোঁজ করা হচ্ছে। তারা স্বেচ্ছায় পালিয়ে গেছেন নাকি কোথাও বিপদে পড়েছেন, তা জানা যায়নি।

আমির জাফর জানান, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ওই দুজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। একাত্তর।

জাগরণ/অপরাধ/কেএপি