• ঢাকা
  • বুধবার, ২৫ মে, ২০২২, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২২, ০৪:১৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ৬, ২০২২, ০৫:৪২ পিএম

নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা : বেরিয়ে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য

নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা : বেরিয়ে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য
ফাইল ফটো

২৪ বছর পর গতকাল মঙ্গলবার মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আশিষ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

এরপর আজ বুধবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর আরও তথ্য। র‌্যাব জানায়, চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী। আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে মিলে তিনি ও ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক বান্টি ইসলাম এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন।

র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, ঢাকার বনানীর আবেদীন টাওয়ারের ৮ম তলায় অবস্থিত ট্রাম্পস ক্লাবের পাশে ছিল বনানী জামে মসজিদ। এটি ছিল সে সময়ের বনানীর সবচেয়ে বড় মসজিদ। ট্রাম্পস ক্লাবে সারারাত অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী বনানী মসজিদের কমিটি নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবের অশ্লীলতা বন্ধের চেষ্টা করেন। পরে ব্যর্থ হয়। এ নিয়ে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর তিনজন মিলে সোহেলকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করে। সেটার দায়িত্ব দেওয়া হয় তৎকালীন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে।

খন্দকার আল মঈন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের নিয়মিত যাতায়াত ছিল ট্রাম্পস ক্লাবে। ক্লাবের মালিক বান্টি ইসলাম, আশিষ রায় চৌধুরী ও আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওই ইমনকে দিয়ে সোহেল চৌধুরীকে শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। তাদের তিনজনের অনুরোধে সোহেল চৌধুরীকে হত্যায় রাজি হন ইমন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাত ৩টার দিকে বনানীর ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয় গুলি করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলা নম্বর-৫৯। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ৯ জনের বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।