• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮
প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২১, ০১:৫৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ৩, ২০২১, ০২:১০ পিএম

বিশ্বের যেসব জায়গায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

বিশ্বের যেসব জায়গায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

নতুন জায়গায় ঘুরতে, নতুনদের সঙ্গে মিশতে, রোমাঞ্চকর ভ্রমণে বেশ উৎসুক থাকেন ভ্রমণপিপাসুরা। বিশ্বের কোণায় কোণায় ছুটে বেড়ান তারা। তাইতো দেশ-দেশান্তরের নানা প্রান্তে দেখা মিলে পর্যটরকদের। ভ্রমণপিপাসুরা কোনও কিছুর পরোয়া না করেই শুধু ঘুরে বেড়ান। 

বিশ্বকে চষে বেড়ালেও বেশকিছু জায়গায় কিন্তু প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাদের। অনেকেই জানেন না, পৃথিবীতে রয়েছে এমন অনেক এলাকা, যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। সেই স্থানগুলোর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল জিনিউজ-এর এক প্রতিবেদনে। যা তুলে ধরা হলো আজকের আয়োজনে।



ভারতের 'নর্থ সেন্টিন্যাল আইল্যান্ড'

আন্দামানের একটি দ্বীপ হলো নর্থ সেন্টিন্যাল আইল্যান্ড। সেখান থাকেন উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। যারা বিশ্বের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখেন না। ওই আইল্যান্ডের মানুষরা আধুনিক সভ্যতাকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে। এরা খুবই হিংস্র হয়। তাই সেখানে সাধারণ মানুষদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তবে ওই অঞ্চলের মানুষদের প্রয়োজনীয় দেখভালের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারই করে।


 

জাপানের 'আইস গ্র্যান্ড শ্রাইন'

এই স্থানটি জাপানে খুবই পরিচিত। এখানে প্রায় ৮ হাজার মন্দির রয়েছে। প্রতি ২০ বছর অন্তর এই মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। অতি যত্ন করে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। তাই সাধারণদের প্রবেশ সেখানে নিষিদ্ধ। শুধমাত্র রাজ পরিবারের সদস্যই সেখানে যেতে পারবেন। সাধারণ মানুষরা সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না।
  

ব্রাজিলের 'স্ন্যাক আইল্যান্ড'

বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর দ্বীপগুলোর একটি হলো ব্রাজিলের এই স্থানটি। পৃথিবীর বিষধর প্রজাতীর সাপদের ঘাঁটি হলো এই দ্বীপ। নিরাপত্তার খাতিরেই এই দ্বীপে সাধারণ মানুষদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ব্রাজিল সরকার।


চীনের 'কিন শি হুয়াং-এর সমাধি'

এই স্থানটি প্রথম চীনা সম্রাট কিন শি হুয়াং-এর সমাধি। প্রায় ২ হাজার বছর আগে তার মৃত্যু হয়। এত বছর পরিয়ে গেলেও একই রকম রয়েছে এই সমাধিটি। যা সত্যিই রহস্যজনক। চিনা সরকার ঐতিহাসিক এই স্থানে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। স্থানটিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষন করে চীন সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের 'নিহাউ আইল্যান্ড'

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই দ্বীপে বাস করেন ১৬০ বাসিন্দা। কেবলমাত্র এদের আত্মীয়-পরিজনরাই ওই দ্বীপে যেতে পারেন। মার্কিন সেনারাও ওই দ্বীপে প্রবেশের অধিকার রাখে। কিন্তু সাধারণ মানুষ বা পর্যটকরা সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ করবে দ্বীপটি। তাই এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রক্ষণাবেক্ষণ করতেই সাধারণদের প্রবেশে বাধা দেয় স্থানীয়রা।