• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০
প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৩, ১২:২০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১, ২০২৩, ১২:২০ এএম

এখনও জমেনি ঈদের কেনাকাটা

এখনও জমেনি ঈদের কেনাকাটা
ছবি ● সংগৃহীত

চলছে পবিত্র মাহে রমজান মাস। আসন্ন ঈদ ও পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ডিজাইনের দেশীয় জামা-কাপড় ভরে গেছে আউটলেটগুলো। তবে, এখনও উৎসবকে কেন্দ্র করে নতুন পোশাক কেনার তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। দোকানে বসে ক্রেতার আশায় অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) সরেজমিন রাজধানীর ছোট-বড় দোকানগুলোতে ঈদ কেনাকাটা এখনো জমে উঠেনি। বিক্রেতারা বলছেন, ঈদ ও পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে পুরো প্রস্তুতি নিয়ে সাজানো হয়েছে। ১৫ রোজার পর থেকে ক্রেতাদের ভিড় ও বিক্রি  বাড়বে। 

এই বছর সব পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে শঙ্কায় রয়েছেন বিক্রেতারা। এরই মধ্যে অনেক ক্রেতাই আগেই ঈদের কেনাকাটা শেষ করতে চান।  

মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, শাড়ি-পাঞ্জাবি মূল আকর্ষণ হলেও এসব হাউসে থাকছে ছেলেদের ফতুয়া, শার্ট-প্যান্ট এবং মেয়েদের সেলোয়ার-কামিজ, ওয়ান-পিস, টু-পিস,টপস্, কাফতান। এছাড়া আছে বাচ্চাদের পাঞ্জাবি ,ফতুয়া, শার্ট-প্যান্ট, স্কার্ট, ফ্রক, সেলোয়ার-কামিজ, শাড়ি। 

ফতুয়া ৮০০  থেকে দেড় হাজার টাকা। শাড়ি বা থ্রি-পিছ দাম হাঁকা হচ্ছে এক হাজার ২০০ থেকে ২০ হাজার টাকা। জামদানি, মসলিনের কাপড়ে ডিজাইন করা শাড়িগুলোরই দাম বেশি। তবে, এই বছর সকল পণ্যের দাম একটু বেশি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় বিক্রেতারা। ১৫ রোজার পরে বেচা-বিক্রি বেশি হওয়ার আশা করছেন বিক্রেতারা

অনেক ক্রেতা জানালেন, প্রতিটি ঈদে পণ্যের দাম ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি হওয়ায় একটু আগে-ভাগেই পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন।  এরপরও পরিবারের সব সদস্যদের খুশি রাখতে করছেন ঈদ কেনাকাটা। 

জাগরণ/রাজধানী/ঈদবাজার/কেএপি