• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৩, ১১:১৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১৭, ২০২৩, ১১:১৪ পিএম

আগুনের ঝুঁকি কমাতে ১১ নির্দেশনা

আগুনের ঝুঁকি কমাতে ১১ নির্দেশনা
ছবি ● ফাইল ফটো

আগুনের ঝুঁকি কমাতে ১১টি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কারাখানা মালিকদের নির্দেশ দিয়েছে দেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তনিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরার কথা উল্লেখ করে ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেহেতু পোশাক শিল্প কারখানায় বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও মেশিনারিজ ব্যবহার করা হয়ে, সেহেতু অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান সাক্ষরিত পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতি যে ১১টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে— 

● রাতে কারখানা বন্ধের আগে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে সব মেশিন, লাইট, ফ্যান, আয়রন, বৈদ্যুতিক সুইচ, বয়লার ইত্যাদি বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা।

● কারখানায় ব্যবহৃত সব ধরনের বৈদ্যুতিক তার ও সরঞ্জাম, বয়লার ও বিভিন্ন ধরনের মেশিন সংশ্লিষ্ট দক্ষ প্রকৌশলী দিয়ে নিয়মিত পরীক্ষা করানো। 

● কারখানা সিঁড়ি এবং চলাচলের পথ বাধামুক্ত রাখা এবং কাজের সময় সার্বক্ষণিক ভাবে ফ্লোরের গেট, মেইন গেট ও সিঁড়ি গেট খোলা রাখা।

●  জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য কারখানায় প্রশিক্ষিত লোকবল রাখা, পুরো কারখানার নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ লোক রাখা এবং আগুন নির্বাপণের বিষয়ে প্রশিক্ষিত সিকিউরিটি গার্ড রাখা।

● তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নির্বাপণের জন্য কারখানায় প্রয়োজনীয় যন্ত্র, পানি ভর্তি ড্রাম, বালতি, হোজরিল রাখা এবং সার্বক্ষণিক ভাবে এগুলো কার্যকর রাখা।

● কারখানার সকল বৈদ্যুতিক চ্যানেলগুলো সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও কোন ঝুট বা ময়লা জমিয়ে না রাখা । সকল মালামাল বৈদ্যুতিক স্থাপনা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।

●  কোনও অবস্থাতেই কারখানার ফ্লোরে কেমিকেল, প্লাস্টিক বা অন্য কোন অতি দাহ্যবস্তু সংরক্ষণ না করা।

● সাবোট্যাজ বা শত্রুতামূলক আগুন প্রতিরোধের জন্য কারখানার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় রাখা এবং সেগুলো সার্বক্ষণিক ভাবে চালু রাখার ব্যবস্থা করা, প্রয়োজনে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করা।

● কারখানার ফ্লোরে এবং সিঁড়িতে অবশ্যই বিকল্প জরুরী বাতি (আইপিএস/চার্জার/ব্যাটারি চালিত বাতি) এবং ফায়ার অ্যালার্মের ব্যবস্থা রাখা এবং এগুলো কাজের উপযোগী আছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করা।

● দূর্ঘটনায় যাতে পদদলিত হয়ে কোন শ্রমিক/কর্মচারী হতাহত না হয় সে জন্য কারখানায় নিয়মিত বহির্গমন মহড়া পরিচালনা করে রেকর্ড সংরক্ষণ করা।

● কারখানায় অগ্নি দুর্ঘটনা সংঘটিত হলে সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিস এবং বিজিএমইএ'র এর জরুরি নম্বরে ফোন করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নেয়া।

জাগরণ/রাজধানী/এসএসকে