• ঢাকা
  • রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০১৯, ১০:০১ এএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ১১, ২০১৯, ১০:০১ এএম

রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ২৪ সদস্য গ্রেপ্তার

জাগরণ প্রতিবেদক 
রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ২৪ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজধানীর মিরপুর থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ২৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। এর মধ্যে ১৯ জনকে ৬ মাসের জন্য গাজীপুরের কিশোর সংশোধনালয়ে পাঠানোসহ ২ জনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত। শুক্রবার ও শনিবার অভিযান চালিয়ে ওই ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, শনিবার (১০ আগস্ট) ব্যাটালিয়নের একটি মোবাইল কোর্ট মিরপুর-১ নম্বরস্থ ফ্লাইওভারের নিচে দিয়ে অতিক্রমের সময় ২ জন ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলে। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত ব্যাটালিয়নের একটি দল মিরপুর-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং গ্রুপের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। 

শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত মিরপুরের শাহআলী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং গ্রুপের ১৭ জনকে  গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৪। গ্রেপ্তার সবাইকে ব্যাটালিয়নের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজাম উদ্দিন আহমেদ পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হয়। আদালত ছিনতাই, চুরি ও মাদক সেবনের দায়ে ১৯ জনকে ৬ মাসের জন্য গাজীপুরের কিশোর সংশোধনালয়ে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া গ্যাংয়ের ৫ জনকে ৬ মাসের কারাদণ্ডদেশ দেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মিরপুর-১ নম্বর থেকে গ্রেপ্তার কিশোররা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, মিরপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি সংঘবদ্ধ কিশোর গ্রুপ সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছিনতাই করে থাকে। এরা ড্যান্ডী গ্রুপ নামে পরিচিত। যারা মানুষের পকেট কাটা ও ছিনতাই করতে পকেটে সব সময় ব্লেড ও ধারালো ছুরি রাখে। এরা গাঁজা থেকে শুরু করে ইয়াবা, হেরোইন পর্যন্ত সেবন করে।

শাহআলী থেকে গ্রেপ্তার কিশোররা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, শাহআলী এলাকায় বেশ কয়েকটি সংঘবদ্ধ কিশোর গ্রুপ ছিনতাই করে থাকে। এদের মধ্যে একটি গ্রুপের নাম ব্লেড রানার। এ গ্রুপের সদস্যরা মানুষের পকেট কাটতে সবসময় ব্লেড রাখে। যদি তাদেরকে জনগণ বা আইনশৃংখলা বাহিনী ধরে ফেলে তখন এরা নিজেদের পকেটে রাখা ব্লেড দিয়ে নিজেদের হাত, পা, মুখ কেটে ফেলে।

এই এলাকায় আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে যারা নিজেদের নিনজা কিশোর গ্যাং নামে পরিচয় দেয়। এদের চলাফেরা ও গতি খুব দ্রুত। এরা কারো কাছ থেকে ছিনতাইয়ের পর দ্রুত সেই সামগ্রীটি পেছনে থাকা তার দলের অন্য সদস্যের কাছে দিয়ে দেয়। সেজন্য ছিনতাইকারীকে সহজে শনাক্ত করা যায় না। সাজেদুল জানান, পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার এই তিনটি গ্রুপের সদস্যদের দ্বারা মূলত ফুটপাতে কেনাকাটা করতে আসা শ্রমজীবী মানুষ, গার্মেন্ট কর্মীরা সন্ত্রাসের শিকার হয়। এ ছাড়াও যারা নাইট শিফটে কাজে বের হয় তাদেরকে আটকে এরা মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে নেয়। শাহআলী এলাকায় ছিনতাইকে কেন্দ্র করে এরা প্রায়শই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এইচ এম/ এফসি

আরও পড়ুন

Islami Bank
ASUS GLOBAL BRAND