• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২১, ০৯:৫৪ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৩, ২০২১, ০৩:৫৪ এএম

নিউমোনিয়ার তীব্রতা, যা বললেন চিকিৎসক

নিউমোনিয়ার তীব্রতা, যা বললেন চিকিৎসক

শীতের রোগগুলোর প্রধান হচ্ছে নিউমোনিয়া। এই রোগের লক্ষণ ও করণীয় নিয়ে জানিয়েছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ও রেসপেরেটরি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন।

ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “শীতে শ্বাসসম্পর্কিত রোগগুলো বেশি হতে পারে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে নিউমোনিয়া, যা তীব্র আকারে বেড়ে যায় শীতের সময়টাতে। বিশেষ করে বৃদ্ধদের মধ্যে এটি বেশি বেড়ে যায়। আবার ছোটদের মধ্যেও এই রোগটি বেশি দেখা যায়। বয়স্ক ও শিশু দুই গ্রুপের মধ্যেই নিউমোনিয়া আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি হয়।”

“কী করা উচিত? নিউমোনিয়া প্রতিরোধে আমাদের দেশে নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন রয়েছে, তা নিতে হবে। যে বয়সে যে ধরনের টিকা প্রযোজ্য। বয়স যদি ৬০-এর বেশি থাকে তাহলে অবশ্যই নিতে হবে। ছোট শিশুদেরও নিতে হবে এ টিকা। এ ছাড়া যেকোনো বয়সীদের কারো যদি ফুসফুসে দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমস্যা থাকে, অ্যাজমা থাকে, সিইউপিডি থাকে, ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, কিডনির সমস্যা, হরমোনের সমস্যা কিংবা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে কোনো কারণে তাদেরই নিউমোনিয়ার টিকাগুলো নিতে হবে।”

“নিউমোনিয়ার লক্ষণ কীভাবে বুঝবেন? প্রথমে জ্বরের উপসর্গ দিয়ে এটি বোঝা যায়। জ্বরের তাপমাত্রা বেশি হবে। ১০৩ থেকে ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্তও তাপমাত্রা উঠতে পারে। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে। সঙ্গে কাশিও থাকে। কাশিটা প্রথমে শুষ্ক থাকবে, কোনো কফ পরবে না। কিন্তু জ্বরের ৩-৪ দিন পর থেকে কাশির সঙ্গে কফও পরতে থাকে।”

“কারো ক্ষেত্রে বুকে ব্যথাও হতে পারে। কারণ নিউমোনিয়া প্রভাব যদি পুরোপুরি বুকে বসে যায় তবে ব্যথা অনুভব হতে পারে। এর প্রভাব আরো বেড়ে গেলে তার শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই কারো যদি কাশি, জ্বর, বুকে ব্যথা থাকে, অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।”

আরও পড়ুন