• ঢাকা
  • শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৯, ২০২০, ০৮:০৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ২৯, ২০২০, ০২:০৯ পিএম

দেশলাইয়ের সংগ্রহ নিয়ে ভার্চুয়াল প্রদর্শনী

দেশলাইয়ের সংগ্রহ নিয়ে ভার্চুয়াল প্রদর্শনী

বাংলাদেশ ম্যাচবক্স কালেক্টর্স ক্লাব (বিএমসিসি) প্রথমবারের মতো আয়োজন করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক দেশলাই ও লেবেল প্রদর্শনী। ২০২১ সালের ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই ভার্চুয়াল প্রদর্শনী। ২০টি দেশের প্রায় ৬০ জন সংগ্রাহকের চমৎকার সব দেশলাই সংগ্রহ প্রদর্শনের মাধ্যমে অন্যরকম একটি অনুষ্ঠান হতে চলেছে এটি।

বাংলাদেশ ম্যাচবক্স কালেক্টর্স ক্লাব বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সংগঠন যা দেশলাই সংগ্রাহকদের নিয়ে কাজ করে। কর্মতৎপরতা এবং উৎকর্ষের দিক থেকে পৃথিবীতে আন্তর্জাতিকভাবে যতগুলো দেশলাই সংগ্রাহকদের সংগঠন আছে তাদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিএমসিসি স্থান করে নিয়েছে। বিএমসিসির প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ অন্যতম দেশলাই সংগ্রাহক সাকিল হক বলেন, “দেশলাই সংগ্রহের শখটি ডাকটিকিট কিংবা ব্যাংক নোট সংগ্রহের মত এতটা প্রচলিত নয়। দেশলাইয়ের মতো চমৎকার একটি জিনিস সংগ্রহের শখটিকে জনপ্রিয় এবং মর্যাদাপূর্ণ করে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে চলেছি। আমরা চাই মানুষ দেশলাই ভালোবাসুক এবং দেশলাই সংগ্রহ করুক।”

একসময় মানুষের দৈনন্দিন জীবনে দেশলাই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে আজ দেশলাই এর ভূমিকা অনেক কমে গিয়েছে। দেশলাই কেবল আগুন জ্বালানোর জন্য তৈরি হয়নি, দেশলাই হয়ে উঠেছিল চমৎকার একটি শিল্প মাধ্যম। অত্যন্ত চমৎকার এবং দৃষ্টিনন্দন চিত্রকর্ম স্থান পেত দেশলাইয়ে। দেশলাইয়ের এসব চিত্রকর্মে ফুটে উঠত একটি দেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ভাষা, খাদ্যাভ্যাস, রাজনীতি, খেলাধুলা নানা বিষয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে জীবনে নানান প্রযুক্তিগত মাধ্যম যুক্ত হওয়ায় দেশলাই আজ হারিয়ে যেতে চলেছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পৃথিবী বিখ্যাত অগণিত সব দেশলাই কারখানা। বাংলাদেশ একসময় প্রচুর রং-বেরঙের দেশলাই পাওয়া গেলেও আজ আর সেগুলো নেই।

বিএনসিসির মহাসচিব রাসেল রহমান শিমুল বলেন, “দেশলাই সংগ্রহকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে আমরা প্রতিনিয়ত দেশলাই বিষয়ক বিভিন্ন সভা এবং আলোচনার আয়োজন করি। প্রতি তিন মাস অন্তর আমরা প্রকাশ করি আন্তর্জাতিক বিষয়ক জার্নাল ‘দিয়াশলাই’ যাতে দেশলাই নিয়ে বিভিন্ন সংগ্রাহকের মূল্যবান বক্তব্য প্রকাশিত হয়।"

১৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে চলা এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বিএমসিসির সাথে সহযোগী সংগঠন হিসেবে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ম্যাচ কাভার কালেক্টরস ক্লাব (এএমসিসিএস) এবং ফিলাটেলিক সোসাইটি অফ বাংলাদেশ (পিএসবি) এবং স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলা কিচেন।