• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮
প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২১, ১১:৫২ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ২২, ২০২১, ০২:৩৯ পিএম

হেডফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন

হেডফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন

বর্তমানে হেডফোন একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। গান শোনা কিংবা লকডাউনে অফিসিয়াল মিটিংয়ে অংশ নিতে এই ডিভাইসটির বিকল্প নেই। যেহেতু এটি আমাদের কানের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাই এর মান নিয়ে আপোষ করার কোনো সুযোগ নেই। হেডফোন কেনার আগে তাই বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

তারযুক্ত ও তারবিহীন
তারযুক্ত ও তারবিহীন হেডফোনের সাধারণ কিছু সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। যেমন পাওয়ার কনজিউমিং, ব্যাটারি লাইফ, পারফরম্যান্স, কানেকশনে বাধা, সহজসাধ্যতা, ব্যবহারে উপযোগিতা ইত্যাদি। হেডফোন কেনার আগে আপনাকে যেটা ভাবতে হবে সেটি হলো কোন কাজে এবং কেমন ধরণের ডিভাইসে ব্যবহার করতে চান সেটির ওপর।

সেন্সিটিভিটি
কতটা লাউড সাউন্ড একটি হেডফোন প্রদান করে। আপনার কানের নিরাপত্তা ইস্যুতে যদি খুব বেশি জোরালো শব্দ উৎপাদন করে তাহলে এমন হেডফোন বাছাই করা উচিত নয়। আপনার স্বাভাবিক গান শুনার ক্ষেত্রে সাধারণত ১০২ ডেসিবল এককের কাছাকাছি থাকা উচিত। তবে কমপক্ষে ৯০dB/mW থেকে ১১৫dB/mW রেঞ্জ ফ্রিকোয়েন্সি উৎপাদন করতে সক্ষম আপনার এমন হেডফোন কেনা উচিত।

ড্রাইভারের আকার
হেডফোনের ড্রাইভারের আকার যত বড় হবে হেডফোনটি বেজ তত বেশি দেবে। অনেকে বড় ড্রাইভারের চেয়ে লোয়ার স্কেলের ড্রাইভারে গান শুনতে বেশি পছন্দ করেন। যে যেমনটা পরে করে এটি সেটির সাথে পরিবর্তিত হয়ে থাকে। তবে সাধারণত ৯ থেকে ১৬ মিলিমিটার ব্যাসের ড্রাইভার বিশিষ্ট হেডফোন নেয়া ভালো।

ইমপেড্যান্স
ইমপেড্যান্স বিশিষ্ট হেডফোন সাধারণ অবস্থায় কম ঝুঁকিমুক্ত। তবে কমপক্ষে ১২ ওহম থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ ওহমের মধ্যে এর রেঞ্জ থাকা ভাল। ১২ ওহম ইয়ারফোনের জন্য আদর্শ।