• ঢাকা
  • রবিবার, ২২ মে, ২০২২, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৮, ২০২১, ০৭:৪২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ২৮, ২০২১, ০১:৪২ পিএম

লকডাউনে বাচ্চাদের সঙ্গে আচরণ কেমন হবে?

লকডাউনে বাচ্চাদের সঙ্গে আচরণ কেমন হবে?

করোনা সংক্রমণ রোধে লাগাম এসেছে প্রতিদিনের বেপোরোয়া চলাফেরায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা। বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্রসহ অনেক কিছুই। এই পরিস্থিতিতে ঘরবন্দি শিশুরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মা-বাবাকে তাই অধিক সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনা মহামারিতে বাচ্চাদের সঙ্গে অভিভাবকদের আচরণ কেমন হবে, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে  ডাক্তার এ.টি.এম  রফিক উজ্জল।

ডাক্তার এ.টি.এম  রফিক উজ্জল বলেন, “করোনা মহামারিতে বাচ্চারা বন্দি জীবন পার করছে। শিশুরা স্বভাবগতভাবেই চঞ্চল প্রকৃতির হয়। তারা বাসায় থাকতে চায় না বাইরে বেরাতে বা ঘুরতে যেতে চায়।“

“কৌতুহলি শিশুরা চারপাশের জগত থেকে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আনন্দ পাবার চেষ্টা করে। শিশুদের আবদারের কারণে আমরা আনেকেই বাইরে বের হচ্ছি। বিনোদন কেন্দ্রে যাচ্ছি।“

“তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে বাইরে বের হলে শিশুরা হয়ত সংক্রমিত হবে না তবে অভিভাবকেরা সংক্রমনের শিকার হতে পারেন।“

“এ ক্ষেত্রে অবশ্যই লকডাউনের নিয়ম মানতে হবে। ঘরে অবস্থান করতে হবে এবং শিশুদের বেশি সময় দিতে হবে। নিজেদের বাসাকেই অনন্দময় জগতে পরিণত করতে হবে।“

“শাসন শোষণ কঠোরতা নয় শিশুদের সঙ্গে মানবিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় বন্ধ থাকাটা অবশ্যই শিশুদের জন্য অনেকটাই বিধ্বংসী। বিদ্যালয় জীবনে শিশুদের একটি নির্দিষ্ট রুটিন থাকে। বিদ্যালয় বন্ধের কারনে খেলাধুলা করার জন্য উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ বন্ধু বান্ধব, মেলামেশা অবকাশ ইদ্যাদি থেকে শিশু বঞ্চিত হচ্ছে।“

“নিশ্চয়ই এই অবস্থা শিশু মনে ও শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। শিশুদের শিখাতে ও বোঝাতে হবে এই দুঃসময়কে কীভাবে সুসময় রূপান্তর করা যায়। অলস সময়কে সৃষ্টিশীল কাজে অতিবাহিত করার ব্যবস্থা করতে হবে।“

“উতসাহ উদ্দিপনা সহযোগিতামূলক কাজ,  নেতৃত্বের শিক্ষা এরকম বিভিন্ন কাজে শিশুকে ব্যস্ত রাখতে হবে। তাহলেই মহামারির শঙ্কা ও লকডাউন জীবনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে শিশুদের অনেকটা রক্ষা করা যাবে।“