• ঢাকা
  • বুধবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ৩, ২০২২, ০৭:৪৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ৩, ২০২২, ০১:৪৬ পিএম

গোর-এ শহিদ বড় ময়দানের ঈদ জামাতে ৬ লাখ মুসল্লি

গোর-এ শহিদ বড় ময়দানের ঈদ জামাতে ৬ লাখ মুসল্লি
সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুর গোর-এ শহিদ বড় ময়দানে একসঙ্গে ঈদুল ফিতরের জামাতে শরিক হয়েছেন ৬ লাখ মুসল্লি।

মঙ্গলবার (৩ মে) সকাল ৯টায় এই নামাজে ইমামতি করেন মওলানা শামসুল হক কাসেমী। নামাজে অংশ নেন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম সহ বিভিন্ন ব্যক্তি। এই নামাজে জেলার ১৩টি উপজেলার পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলো থেকেও মুসল্লিরাও অংশ নেন।

যেকোনও ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর ছিল। ঈদের নামাজ অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ৬৫৯ জন অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেছেন।

পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, ডিবি, ডিএসবি, এনএসআই, ডিজিএফআই সদস্যরা সাদা পোশাকে ও সাধারন পোশাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করেছে। মাঠে ৩০টি সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। 

দিনাজপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোর-এ শহিদ বড় ময়দানের আয়তন প্রায় ২২ একর। ২০১৭ সালে নির্মিত ৫২ গম্বুজের ঈদগাহ মিনার তৈরিতে খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। 

ঈদগাহ মাঠটি ঐতিহাসিক নিদর্শন ও মনোরম কৃতির সৌন্দর্য ও নান্দনিক হিসেবে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এই ৫০ গম্বুজের দুই ধারে ৬০ ফুট করে ২টি মিনার, মাঝের দুটি মিনার ৫০ ফুট করে। ঈদগাহ মাঠের মিনারের প্রথম গম্বুজ অর্থাৎ মেহেরাবের উচ্চতা ৪৭ ফিট। এর সঙ্গে রয়েছে আরও ৪৯টি গম্বুজ। 

৫১৬ ফিট লম্বায় ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে। উপমহাদেশে এত বড় ঈদগাহ মাঠ দ্বিতীয়টি নেই। পুরো মিনার সিরামিক্স দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি গম্বুজ ও মিনারে রয়েছে বৈদ্যুতিক লাইটিং। রাত হলে ঈদগাহ মিনার আলোকিত হয়ে উঠে। 

২০১৭ সাল থেকেই প্রতিবারে এখানে ঈদের নামাজ আদায় করছেন দিনাজপুর জেলাসহ পাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। 

করোনার প্রকোপে গত দুই বছর এই মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি।

জাগরণ/জীবনযাপন/ধর্ম/ঈদজামাত/এমএ/কেএপি