মনোহরগঞ্জে তারাবির ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না নিদের্শনা

জাগরণ ডেস্ক প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২০, ০৮:৪১ পিএম মনোহরগঞ্জে তারাবির ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না নিদের্শনা
প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর পরিস্থিতিতে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইমাম, মুয়াজ্জিন ও  দুইজন হাফেজসহ প্রতি মসজিদে সর্বোচ্চ ১২ জন মুসল্লির অংশ গ্রহণে তারাবি নামাজ পড়ার কথা থাকলেও কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা ও বিধি নিষেধ।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে প্রথম তারাবিতে সরকারি নিদের্শনা অমান্য করে লোক সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে অন্তত ২০ থেকে ৫০ মুসল্লি একসাথে তারাবি আদায় করার খবর পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মসজিদের ইমাম বলেন, নামাজরত অবস্থায় কেউ কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া যায় না। এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

উপজেলা সদরের দিশাবন্দ গ্রামের চেয়ারম্যান বাড়ি মসজিদের ইমাম আবদুর নূর জানান, নামাজে দাঁড়ানোর পর হঠাৎ মসজিদে মুসল্লি বেড়ে যায়। তখন মানবিক কারণে কাউকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক নামাজ পড়ানোর কথা মুসল্লিদের স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। 

মুসল্লি ১২ জন হয়ে গেলে মূল ফটকে তালা বন্ধ করে নামাজ পড়ানোর কথা জানান মনোহরগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুর রব।

তিনি বলেন, উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতি অবশ্যই সরকারের  নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন মনোহরগঞ্জ শাখার সুপারভাইজার মাওলানা ওবায়েদুল হক তারেক দৈনিক জাগরণকে বলেন, সরকারি নিদের্শনার বিষয়টি মসজিদ কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন। মসজিদগুলোতে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খতম তারাবি বন্ধ করে সীমিত আকারে নামাজ পড়ার ব্যাপারে নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। জননিরাপত্তায় সবাইকে সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে চলার আহবান জানান তিনি। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা দৈনিক জাগরণকে বলেন, বিষয়টি সব মসজিদের ইমামকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) জনসচেতনতা বার্তা পাঠানো হয়েছে। চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় উপজেলার সব মসজিদে ইমাম মোয়াজ্জিনকে সরকারি নীতিমালা মেনে চলার আবারও অনুরোধ জানান তিনি। 

এসএমএম

আরও সংবাদ