• ঢাকা
  • রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
প্রকাশিত: আগস্ট ৭, ২০২৩, ০১:০৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩, ০১:০২ এএম

বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা

‘তোমার পরশখানি দিয়ো’

‘তোমার পরশখানি দিয়ো’
সমাপনী দিনে শনিবার সমবেশ সঙ্গীত পরিবেশন করছেন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা শিল্পীরা ● জাগরণ

শিল্প-সাহিত্যের প্রায় সবগুলো শাখায় দ্যুতি ছড়িয়ে হূদয়ের মণিকোঠা গভীরভাবে প্রোথিত আছেন বিশ্বকবি কবিগুর“ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তার অনন্ত— সৃষ্টিকর্ম বিশুদ্ধ বাতাসের মতো ছড়িয়ে যাচ্ছে যুগ-যুগান্তরে। বাংলাদেশে কবির গান-কবিতার প্রসারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে  বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা। তাদেরই উদ্যোগে রবিঠাকুরের ৮২তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় দু’দিনের স্মরণানুষ্ঠান। 
২২ শ্রাবণ কবিগুরু প্রয়াণ দিবস সামনে রেখে শুক্রবার (৪ আগস্ট) শুরু হয় দুই দিনের এই আয়োজন।

শনিবার (৫ আগস্ট) ছিল দ্বিতীয় ও সমাপনী আয়োজন।

এদিন শ্রাবণ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব)-এর রিসার্চ বিল্ডিং মিলনায়তনে স্মরণানুষ্ঠানে শিল্পীদের একক পরিবেশনা মুগ্ধতা ছড়ায় উপস্থিত শ্রোতামনে। গান পরিবেশনায় সংস্থার শিল্পীদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত শিল্পীরাও। 

সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পীযূষ বড়ুয়া বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের গান আবহমান কালের বাঙালি সংস্কৃতির মূল ধারাকে বিকশিত ও সমৃদ্ধ করেছে। রবীন্দ্রসংগীত হয়ে উঠেছে আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি বিকাশের অবলম্বন। তার সৃষ্টিকর্ম নিয়ে চর্চার মাধ্যমেই আমরা অপসংস্কৃতির বির“দ্ধে লড়তে পারবো।’

‘মাঝে মাঝে প্রাণে তোমার পরশখানি দিয়ো’- এই প্রতিপাদ্যে শুরু হওয়া স্মরণানুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠানের সূচনা সমবেত গানের মধ্য দিয়ে। এর পর একে একে পরিবেশন হয় রবীন্দ্রনাথেও রচিত বিভিন্ন পর্যায়ের গান।  

স্মৃতি কনা পাল গাইলেন ‘আমি কী বলে করিব নিবেদন’, অভিজিৎ দেও কণ্ঠে শোনা গেলো ‘আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে’, সুমনা দাস ‘দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার’. জান্নাতুন নাইম পিংকী ‘ওই আসন তলে’, পূরবী রায় শোনালেন ‘শ্যামল ছায়া নাইবা গেলে’, সুষ্মিতা দাস ‘কার মিলন চাও বিরহী’, শিল্পী সাহার কণ্ঠে শোনা গেলো ‘রাত্রি এসে যেথায় মেশে’, জয়শ্রী রায় ‘আজি প্রণমি তোমারে’, গায়ত্রী আচার্য শোনান, ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী, লিটন চন্দ্র বৈদ্য গাইলেন, ‘তোমার অসীমে প্রাণ মন’, সুচিত্রা চক্রবর্তী ‘আজ শ্রাবণের পূর্ণিমাতে’, মৃদুল চক্রবর্তী, ‘আমার যে দিন ভেসে গেছে’, সর্বাণী চক্রবর্তী, ‘যখন এসেছিলে অন্ধকারে’, হুমায়রা মোর্শেদ ‘হূদয়ের এ কূল ও কূল’, অলি রায় ভৌমিক ‘আমি তখন ছিলেম মগন’।

ফারজানা ইয়াসমিন লুনা ‘চরণধ্বনি শুনি তব নাথ’, মনীষা কুণ্ডু ‘ শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে’ সাজিদা সোনিয়া খান ইতি ‘আকাশে দুই হাতে প্রেম বিলায়’, সাবরিনা রহমান  ‘তোমার কথা হেথা’, শেখর কুমার কর্মকার গাইলেন ‘আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে’, কাকলি গোস্বামী, ওগো শোন কে বাজায়, তনুশ্রী দীপকের কণ্ঠে শোনা গেলো ‘সন্ধ্যা হলো গো’। রবীন্দ্র রচনাবলী থেকে পাঠ ও আবৃত্তি করেন মজুমদার বিপ­ব। সহযোগিতায় ছিলেন রাবিতা সাবাহ, সীমা সরকার, অনিকেত আচার্য, কনক খান, ছন্দা সহ আরও অনেকে। 

জাগরণ/সংস্কৃতি/এমএ