• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: জুন ১২, ২০১৯, ০৯:৫৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১২, ২০১৯, ০৯:৫৩ পিএম

দেশে আজ চরম স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিরাজ করছে : জেএসডি

জাগরণ প্রতিবেদক
দেশে আজ চরম স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিরাজ করছে : জেএসডি

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির স্টিয়ারিং কমিটির নেতারা বলেছেন, দেশে আজ চরম স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিরাজ করছে। মানুষের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার সবই কেড়ে নেয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) বিকালে দলের নেতা শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের শান্তিনগরের বাসভবনে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে এ বৈঠক হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, এমএ গোফরান, তানিয়া রব, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনসহ আরও অনেকে। 

স্টিয়ারিং কমিটির সভায় নেতারা বলেন, স্বৈরতন্ত্র অবসানের জন্য স্বাধীনতার পক্ষের সকল দল ও শ্রেণি-পেশার অদলীয় সংগঠনসমূহকে নিয়ে সরকার বিরোধী বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

সভার প্রস্তাবে আরও বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ২৯ ডিসেম্বর ডাকাতি করে সংসদ গঠন করা হয়েছে। এর পরবর্তী উপজেলা নির্বাচনেও সংগঠিত হয়েছে একই ধরনের ভোট ডাকাতি। গুম-খুন, লুট-পাট, দখলবাজি, নারী ও শিশু ধর্ষণ চরম আকার ধারণ করেছে। কৃষি উন্নয়নের কথা বলে তাদের ৮০০ টাকা মণে খরচ করে উৎপাদিত ধান ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়েছে। অথচ এই ধানই বর্তমানে সরকার ফড়িয়াদের কাছ থেকে ১ হাজার ৪০ টাকা মণে কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। দলীয় আনুগত্য ছাড়া কারও চাকরি হচ্ছে না বললেই চলে। দেশের জিডিপি ক্রমাগত বাড়ছে বলা হলেও বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই চলছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে যাতে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে উঠতে না পারে তার জন্য তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে। বর্তমান এ স্বৈরতান্ত্রিক অবস্থার অবসানের জন্য স্বাধীনতার পক্ষের সরকার বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল, অদলীয় সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এর সাথে যুক্ত করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

খালেদা জিয়াসহ সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মুক্তি, গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং গুম-খুন, লুট-পাট, ধর্ষণসহ সকল অগণতান্ত্রিক ও অমানবিক কর্মকাণ্ডে বিরুদ্ধে গড়ে তুলতে হবে সর্বাত্মক আন্দোলন।

এতে আরও বলা হয়, সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের কথা মোতাবেক স্বাধীনতার রূপকার সিরাজুল আলম খানের ওপর লিখিত বই যদি কল্প-কাহিনী ও ইতিহাস বিকৃতি হয় তাহলে তোফায়েল আহমেদও একটি কল্পিত চরিত্র ও বিকৃত ব্যক্তিত্ব। উনি অতীতে বহু বক্তৃতায় বলেছেন, ৬৯, ৭০ এ আমি ছিলাম তোতা পাখি। সিরাজুল আলম খান সারাদিন এসএম হলের ক্যান্টিনে আমাকে যা শেখাতেন সমাবেশে যেয়ে আমি তোতা পাখির মতো তাই বলতাম। কারও ভয়ে আজ তোফায়েল আহমেদের মতো লোকের এ ধরনের বিকৃত চর্চা সাজে না।

সভায় এ বছরের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বিভিন্ন জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও শিল্পাঞ্চল ইউনিটের কাউন্সিল অনুষ্ঠান, কমিটি গঠন-পুনর্গঠন এবং কেন্দ্রীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটি গঠন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

টিএস/এসএমএম

Space for Advertisement