• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০, ০৬:৫১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০, ০৬:৫৬ পিএম

স্থলবন্দরের দুর্নীতির ১৪টি উৎস চিহ্নিত করে দুদকের প্রতিবেদন

জাগরণ প্রতিবেদক
স্থলবন্দরের দুর্নীতির ১৪টি উৎস চিহ্নিত করে দুদকের প্রতিবেদন
নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর হাতে প্রতিবেদন তুলে দেন দুদক কমিশনার ●জাগরণ

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ১৪টি খাতে দুর্নীতির উৎস খুঁজে পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। এসব দুর্নীতি প্রতিরোধে ২৮টি সুপারিশ করে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুদক।

প্রতিবেদন জমা দিয়ে দুদক কমিশনার বলেছেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে তাদের এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাদের এ উদ্যোগ সফল হবে।

দুদক এ পর্যন্ত ১৬টি মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর হাতে এ প্রতিবেদন জমা দেন।

দুদক কমিশনার জানান, বিনা শুল্কে আমদানি কৃত মালামাল খালাস করা হচ্ছে, সরকারি ক্রয়ের নীতি লঙ্ঘন করা হচ্ছে, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে অনিয়ম যারা নিয়োগ পাচ্ছেন কিন্তু দায়িত্ব পালন করছে না, বন্দরে সিন্ডিকেট কাজ করছে। মালামাল ঠিকাদারিতে অযোগ্যরা কাজ পাচ্ছে, রাজস্ব আদায়ে নিয়ম-নীতি মানা হয় না, শেড ও গুদামের মালামাল চুরিসহ ১৪টি খাতে অনিয়ম হয়ে থাকে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দুদকের প্রতিবেদনকে দলিল হিসেবে নেয়া হচ্ছে তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের কাজের সাথে জড়িত এনবিআর ও পুলিশ প্রশাসন তাই সব বিভাগের সাথে সমন্বয় জরুরি।

এমএএম/এসএমএম