• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ০২:২৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২৭, ২০২০, ০২:২৪ পিএম

৫১৮৯ কোটি ব্যয়ে একনেকে ৩ প্রকল্প অনুমোদন

জাগরণ ডেস্ক
৫১৮৯ কোটি ব্যয়ে একনেকে ৩ প্রকল্প অনুমোদন
ছবি: পিআইডি

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পাঁচ হাজার ১৮৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা খরচে তিনটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে দুই হাজার ৮৫৫ কোটি আট লাখ, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৬৩ কোটি ৮৫ লাখ এবং বিদেশি ঋণ দুই হাজার ২৭০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) একনেকের সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গণভবন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-সচিবরা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এনইসি ভবন থেকে একনেক সভায় অংশ নেন।

পরে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তথ্য তুলে দরে জানান, আজকের একনেক সভায় মোট তিনটি প্রকল্পের মধ্যে দুটি সংশোধিত এবং একটি নতুন প্রকল্প। সংশোধিত দুটিই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের। সেগুলো হলো ‘সোনাপুর (নোয়াখালী)-সোনাগাজী (ফেনী)-জোয়ারগঞ্জ (চট্টগ্রাম) সড়ক উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্প।

প্রকল্পটির মূল খরচ ছিল ১৭২ কোটি ৬৫ লাখ, প্রথম সংশোধনীতে হয় ১৮৫ কোটি ৯৬ লাখ এবং দ্বিতীয় সংশোধনে ব্যয়ের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল ২৯৩ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলে এখন তা বাড়িয়ে করা হলো ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত।

আর ‘সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২: এলেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্পে মূল খরচ ছিল ১১ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা, প্রথম সংশোধনীতে চার হাজার ৭৬৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বেড়ে হলো ১৬ হাজার ৬৬২ বোটি ৩৮ লাখ টাকা।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন তা শেষ করার সময় নির্ধারণ করা হলো ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত।

নতুন প্রকল্পটি হলো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ সড়ক নিরাপত্তা’। এতে খরচ হবে ৩১৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

জাগরণ/এমআর