• ঢাকা
  • শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০, ০২:০৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০, ০২:০৭ পিএম

শেখ হাসিনা আমাদের জন্য প্রেরণার দীপ্যমান শিখা 

জাগরণ ডেস্ক
শেখ হাসিনা আমাদের জন্য প্রেরণার দীপ্যমান শিখা 
ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজ ৭৪তম জন্মদিন। বাঙালির জাতীয় জীবনের এক স্মরণীয় দিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন বাঙালির আস্থার সোনালী দিগন্ত, প্রেরণার দীপ্যমান শিখা, স্বপ্নময় অর্জনের কাণ্ডারি শেখ হাসিনা।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিজের সরকারি বাসভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্রিফিং কালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। 

এ সময় তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, বঙ্গোপসাগরের কোলে পদ্মা মেঘনা যমুনা কর্ণফুলীর পলি বিধৌত বদ্বীপ বাংলা থাকবে, ততদিন শেখ হাসিনা থাকবেন বাঙালির হৃদয়ের মনিকোঠায়। ৭৫ পরবর্তী সময়ে এদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে সফল ডিপ্লোম্যাটিক এর নাম শেখ হাসিনা। গত ৪৫ বছরে সফল রাজনীতিবীদের নাম শেখ হাসিনা। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা আছেন বলেই বাংলাদেশের সমান সুনীল সমুদ্রসীমা জয় হয়েছে। দ্বার খুলেছেন সম্ভাবনাময় ব্লু ইকোনমির। শেখ হাসিনা এক আজন্ম উন্নয়নযোদ্ধার অপর নাম, স্বপ্নবান নেতৃত্ব। হতাশ ও অসহায় প্রাণে যিনি সঞ্চার করেন জীবনের জয়গান, বপন করেন স্বপ্নের বীজ।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা বাঙালির সাহসের সোনালী দিগন্ত উন্মোচন করে দিয়েছেন, বাড়িয়ে দিয়েছেন এগিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস। শেখ হাসিনা আজ বিশ্বসভায় নূতন উচ্চতায়।

মিথ্যাচার আর ভুল রাজনীতির কারণে বিএনপি দিন দিন জনপ্রত্যাশা থেকে ছিটকে পড়ছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের কর্মীরা এখন আর নেতাদের বিশ্বাস করে না। টেমস নদীর পাড়ে বসে যারা বঙ্গোপসাগরের উপকূলে বিপ্লবের ঢেউ তোলার দিবাস্বপ্ন দেখছেন, সে স্বপ্ন দুঃস্বপ্নেরই নামান্তর।

বিএনপিকে ২০০১ সালের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরো বলেন, তখন বিএনপি দেশে এক নৈরাজ্যের সৃষ্টি করেছিলো। আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদ। সেসময় সংখ্যালঘুদের ওপর যে নির্যাতন চালিয়েছিলো বিএনপি তা ৭১-এর হানাদার বাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছিলো।

জাগরণ/এমআর