• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০, ৪ মাঘ ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১২, ২০১৯, ০৯:২৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ১২, ২০১৯, ০৯:২৪ পিএম

মুস্তাফিজকে নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় বাশার

ক্রীড়া ডেস্ক
মুস্তাফিজকে নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় বাশার
মুস্তাফিজুর রহমান। ফাইল ফটো

ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ৩ ম্যাচে মুস্তাফিজুর রহমান ৯.৪ ওভার করে ৯.৫১ ইকোনমি রেটে উইকেটশূন্য থেকে ৯২ রান দিয়েছেন, যা কাটার মাস্টারের নামের পাশে একেবারেই বেমানান। চলতি ২০১৯ সালে মুস্তাফিজের খেলা ৭ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পরিসংখ্যান ঘেঁটে তার বিবর্ণ রূপ ধরা পড়ছে। ২৪.৪ ওভারে ২১৭ রান দিয়ে নিয়েছেন মাত্র ৪ উইকেট।

জাতীয় দলের অপরিহার্য খেলোয়াড়ের তালিকা থেকেই মুস্তাফিজ বাদ পড়তে চলেছেন কি না- এমন ভাবনাই এখন ক্রিকেট মহলে চলছে। এক মাস আগে জাতীয় দলের নির্বাচক নির্বাচক হাবিবুল বাশার এই বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্তে আসার সময় হয়নি জানিয়ে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, মুস্তাফিজের এখনকার ফর্মটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। সে কাটার কমিয়ে দিয়েছে, জোরে বল করার চেষ্টা করছে। কাটার ও পেসের উপযুক্ত সংমিশ্রণ যখন তার হয়ে যাবে, আমার মনে হয় ও সেরা ফর্মে ফিরে আসবে।  

তবে এবার মুস্তাফিজকে নিয়ে নিজের দুশ্চিন্তার কথা প্রকাশ করেই ফেললেন বাশার। চলতি বিপিএলে রংপুর রেঞ্জার্সের ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা সাবেক টাইগার ক্রিকেটার দলের স্বার্থে মুস্তাফিজকে তার তার পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তা করারও পরামর্শ দিয়েছেন। 

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে প্রথম তিন ওভারে ২ উইকেট পেয়ে ফেরার ইঙ্গিতই দিচ্ছিলেন, খরচ করেন মাত্র ১২ রান। তবে শেষ ওভারে ৪ ছক্কা হজম করে তিনি দেন ২৫ রান। তাতে ৪ ওভারে কাটার মাস্টার ৩৭ রান দিয়ে ফেলেন। কাটারের সাথে, ইয়র্কার দেয়ার প্রবণতাও কমেছে বাঁহাতি এই পেসারের। আর মাঝে মধ্যে চেষ্টা করলেও হয়ে যাচ্ছে ফুলটস। 

মুস্তাফিজের ধারাবাহিক ব্যর্থতার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘মুস্তাফিজ এক বছর ধরে মিসিং হয়ে যাচ্ছে। মুস্তাফিজের বোলিংয়ে এখন ইয়র্কার নেই। সে ইয়র্কার পাচ্ছে না, আগে একটা দারুণ ইয়র্কার ছিল বোলিংয়ে। স্লোয়ার বল এখনও আছে, পেসও আস্তে আস্তে বাড়ছে। এখন মোটামুটি ভালো পেসেই বল করছে। ইয়র্কার মিসিং, সে একটু বেশি প্রেডিক্টেবল হয়ে যাচ্ছে। এটাই আমার দুশ্চিন্তা। আমার কাছে মনে হচ্ছে ব্যাটসম্যানরা ওকে পড়ে ফেলছে যে ও কী করতে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে ওকে বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করতে হবে। আমরা ব্যাটসম্যানরা, বোলাররা চিন্তা করি ম্যাচ শেষে যে কী হচ্ছে। ভালো করছি বা এসব চিন্তা না করে ব্যাটসম্যান আমাকে পড়ে ফেলছে বা আমাকে দ্বিতীয় পরিকল্পনায় যেতে হবে। এটাই তার চিন্তা করার আসল সময়। কোচ হয়তো তাকে বলবে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ক্রিকেটারদেরও বোঝা উচিত আমার কীভাবে বোলিং করা উচিত।’

বাশার বলেন, ‘শেষ এক বছরে সে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। কিন্তু সে খরুচে বোলার হয়ে যাচ্ছে। শেষের দিকে অনেক খরুচে হয়ে যাচ্ছে। আমাদের ডেথ বোলার কিন্তু মুস্তাফিজ। সে যদি খরুচে বোলিং করে তাহলে কিন্তু পুরো দলের ওপরেই চাপ চলে আসে। ও যদি খরুচে হয় তাহলে বাকিদের দিয়ে কভার করা মুশকিল।’

আরআইএস 
 

আরও পড়ুন