• ঢাকা
  • সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০১৯, ০৮:৩৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ২০, ২০১৯, ০৭:২৬ পিএম

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ডিএসইর প্রস্তাবে সায় দিল বিএসইসি

জাগরণ প্রতিবেদক
পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ডিএসইর প্রস্তাবে সায় দিল বিএসইসি

পুঁজিবাজার উন্নয়নে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট, বিনিয়োগ সীমা, সার্কিট ব্রেকার, লক-ইন, মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি তালিকাভুক্ত করা ইত্যাদি বিষয়ে। 

এসব দাবি গ্রহণযোগ্য বলেও জানিয়েছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন। তিনি বলেছেন, এসব বাস্তবায়নে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকরি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে ডিএসই কর্তৃপক্ষের এসব দাবি নিয়ে আগারগাঁয়ে গেলে সেখানে বিএসইসির চেয়ারম্যান তা পূরণের আশ্বাস দেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী, ড. স্বপন কুমার বালা, খোন্দকার কামালুজ্জামান প্রমুখ। আলোচনায় অংশ নেন ডিএসই চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এ হাশেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান, পরিচালক শরীফ আতাউর রহমান, মিনহাজ মান্নান ইমন প্রমুখ।

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আইপিও প্রক্রিয়ায় সংস্কার সংশোধনীর বিষয়ে দাবি রাখেন ডিএসইর পর্ষদ। এর মধ্যে বিশেষভাবে ভারসাম্য রাখার জন্য প্রাইভেট প্লেসমেন্টে পরিশোধিত মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শেয়ার ইস্যুর দাবি করেন ডিএসই। যেসব প্লেসমেন্ট শেয়ারে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরু থেকে ১ বছর লক-ইন (বিক্রয় অযোগ্য) ও ৫০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখারও দাবি রাখেন।

উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের শেয়ারকে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিডিবিএল) পৃথক ক্যাটাগরিতে রাখার জন্য দাবি করেন ডিএসই। আবার পরিচালকদের শেয়ারেও লেনদেন শুরুর দিন থেকে লক-ইন হিসাব গণনার জন্য বলা হয়। এছাড়া উদ্যোক্তা/পরিচালদের শেয়ার বিক্রির ঘোষণার ১৫ দিন পরে তা বাস্তবায়নের সুযোগ রাখা, প্রত্যেক পরিচালকের ২ শতাংশ ও সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।

এদিক ক্ষুদ্র মূলধনের কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহারের দাবি রাখেন ডিএসই। এতে এ জাতীয় কোম্পানিগুলোর শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান রোধ হবে বলে জানান। এছাড়া মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানির চাহিদা পূরণে সরকারি ও বহুজাতিক বিভিন্ন কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনার জন্য বিএসইসিকে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়।

ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির বিনিয়োগ সীমা এককভাবে বিবেচনার জন্য করণীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বিএসইসিকে পরামর্শ দেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয় এমন বন্ড, ডিবেঞ্চার, প্রিফেনশিয়াল শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকে বিনিয়োগ সীমার বাইরে রাখার দাবি রাখেন। আর বিনিয়োগ সীমা বাজার দরের পরিবর্তে ব্যয় মূল্যকে ধরতে বলা হয়েছে।

এআই/ এফসি