• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ০৩:৪৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২২, ২০২০, ০৩:৪৪ পিএম

ভাঙা শুরু বিজিএমইএ ভবন

জাগরণ প্রতিবেদক
ভাঙা শুরু বিজিএমইএ ভবন

শুরু হলো হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় এ কাজের উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

ডিনামাইট ব্যবহার করে না গুড়িয়ে, হাতুড়ি দিয়ে সনাতনি পদ্ধিতেই ভাঙা হচ্ছে ১৬ তলার বিশাল এই ভবনটি।

ফোর স্টার এন্টারপ্রাইজ ভবন ভাঙার কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, হাতিরঝিলে আর যেন কোনও অবৈধ ভবন না থাকতে পারে সেদিকে নজর রাখা হবে। ভাঙার সময় যাতে কোনও দুর্ঘটনা না হয় সে ব্যাপারেও সব ধরনের সতকর্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

হাতিরঝিলের পানি প্রবাহ যেন বাধা না পায়, সে বিষয়েও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

ভবনটি ভাঙার সময় দুর্ঘটনা রোধে এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে রাজউক ও বুয়েটের দুটি আলাদা কমিটি কাজ করছে।

২০১৬ সালের জুনে হাইকোর্টের পর আপিল বিভাগ বিজিএমইএ ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়। বিজিএমইএকে নিজ খরচে সরিয়ে নিতে বলে আদালত।

গত বছরের ১২ এপ্রিলের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠনের এ ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দিয়েছিলো সর্বোচ্চ আদালত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সময় পার হওয়ার পর নির্দেশনা বাস্তবায়নে  ২০১৯ সালের ১৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

২০০৬ সালের দিকে হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়। জলাশয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশবাদীরা। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। বিজিএমইএ ভবন অপসারণে আপিল বিভাগের দেয়া এক বছর সময় শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল। এর আগে ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল সর্বোচ্চ আদালত ভবনটি অপসারণে বিজিএমইএকে আরও ১ বছর ১০ দিন সময় দেন।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল এক রায়ে বিজিএমইএ ভবনটিকে হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যান্সারের মতো উল্লেখ করেন হাইকোর্ট। রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন আদালত। এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ। ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে তা খারিজ হয়।

এসএমএম