• ঢাকা
  • বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০, ১১:৪৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০, ০৩:০৯ পিএম

সাথী ফসল চাষ করে তারা এখন স্বাবলম্বী

সোহেল রানা, হিলি
সাথী ফসল চাষ করে তারা এখন স্বাবলম্বী
চাষির মুখে হাসি ফুটিয়েছে সাথী ফসল ● জাগরণ

সু খ ব র

...

শস্যের ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরের জনপদ দিনাজপুর। এই জেলার বরেন্দ্র এলাকা ঘোড়াঘাট উপজেলা। উপজেলাটির বেশিরভাগ মানুষ কৃষি নির্ভরশীল। বরেন্দ্র এলাকা হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় পানির স্তর অনেকটাই নিচে থাকে। ফলে বেশি খরচ করেও ধান চাষে লাভবান হতে পারে না এখানকার কৃষকরা। তবে বর্তমান সরকারের নানা উদ্যোগ ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এই উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সাথী ফসলের চাষ।

আর এই সাথী ফসল চাষ করে অনেকেই হয়ে উঠেছেন স্বাবলম্বী। সাথী ফসল হিসেবে একই জমিতে সরিষা, আলু, গম, ভুট্টা ও নানা রকম ফল চাষ করছেন চাষিরা।

এখন তারা একের পর এক একটি করে ফসল ঘরে তুলতে পারছেন। এতে করে অল্প খরচ লাভবান হচ্ছে তারা। 

ওসমানপুরে চাষি কুদ্দুস আলী বলেন, ৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করতেন তিনি। তবে ধানের তেমন ফলন না পাওয়ায় গত কয়েক বছর জমিগুলো পতিত করে রেখেছিলাম। পরে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় পতিত জমিতে মিষ্টি কুমড়া, লিচু ও সরিষা লাগিয়ে লাভের মুখ দেখেছেন।

আরেক চাষি সুমন জানালেন তিনিও একই জমিতে ভুট্টা ও লিচু চাষ করছে। দেখছেন বিপুল লাভের আশা।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কামাল হোসেন দৈনিক জাগরণকে বলেন, সাথী ফসলের চাষ বাড়াতে চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতার দেয়া হচ্ছে। এ বছর উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে সাথী ফসলের চাষ হয়েছে। ৫ বছর ধরে একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে আম ও লিচুর সাথে ধান, গম ও ভুট্টা চাষ করতে পারবেন চাষিরা।

এসএমএম