• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০১৯, ০২:০৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১, ২০১৯, ০৮:২২ পিএম

এফআর টাওয়ার থেকে মালামাল নামাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা

জাগরণ প্রতিবেদক 
এফআর টাওয়ার থেকে মালামাল নামাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা

 

বনানীর এফআর টাওয়ার ট্র্যাজেডির পরিপ্রেক্ষিতে ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরের ব্যবসায়ীরা মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন। 

সোমবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে বনানী থানার ওসি (তদন্ত) বোরহান উদ্দিন জাগরণকে বলেন, গতকাল (৩১ মার্চ) ও আজ মিলিয়ে ৭-৮টি প্রতিষ্ঠান তাদের মালামাল নিয়ে গেছেন।  

বোরহান উদ্দিন বলেন, একই প্রতিষ্ঠান কয়েক ফ্লোর জুড়ে আছে। এজন্য সুনির্দিষ্টভাবে বলা মুশকিল যে, কতটি প্রতিষ্ঠান এই ভবনে ছিল।

পুলিশ ও মালামাল গ্রহণকারীরা বলছেন, প্রথমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক ঘটনাস্থলে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমে আসছেন। পরে পুলিশ ভবনের ম্যানেজারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও এর মালিককে সনাক্ত করছেন। এরপর একজন পুলিশ সদস্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সনাক্ত করা মালিককে পাঠানো হচ্ছে মালামাল আনার জন্য। এ সময় পুলিশ মালামালের বিবরণ, প্রতিষ্ঠান মালিকের নাম, পরিচয়, মোবাইল নম্বরসহ সম্পর্কিত আরও তথ্য লিপিবদ্ধ করে রাখছে।  

এফআর টাওয়ারের নিচে দেখা যায়, মাইকা সিকিউরিটিজ নামক একটি প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের সহযোগিতায় মালামাল বস্তাবন্দি বা লাগেজ বন্দি করে রেখেছেন।  

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জামান জাগরণকে জানান, তাদের অফিস ছিল লিফটের ১৫ তলায়। প্রায় ছয় বছর ধরে তারা এখানে আছেন। ১৫ তলার অর্ধেক অংশ তারা ক্রয়সূত্রে মালিক।  

বেশ আক্ষেপ করে জামান বলেন, ঘটনার দিন আগুন লাগে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে। নিচে ভবন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অথচ কোনো ধরনের সংকেত তারা ভবনের কোনো ফ্লোরে দেয়নি। না কোনো এলার্ম, না অন্যকিছু। খবর পেয়েছি আগুন লাগার অন্তত ২০ মিনিট পরে। এই যে সময়টা ক্ষেপণ করা হলো, এটার দায়বদ্ধতা কী ভবন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকাদের নেই?

ভবন থেকে মালামাল নামাতে দেখা যায় দ্রিদ গ্রুপ নামের একটি বহুমুখী প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের। ভবনের ২, ৯, ১৩, ১৬ ও ১৯ তলায় এ গ্রুপের অফিস। শুধু ২ তলা থেকে তারা কিছু মালামাল নামিয়েছেন বলে জানান দ্রিদের কর্মী রাজু।  

ভবনের ৫, ৯, ১৭ ও ১৮ তলায় ছিল আমরা নেটওয়ার্কের অফিস। প্রতিষ্ঠানটির নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান তুহিন জাগরণকে বলেন, ৫ তলায় আমাদের গোডাউন। এখান থেকে কিছু মাল নামানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস খবর পায় দুপুর ১টার দিকে। এ ঘটনায় একজন বিদেশিসহ ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটে এবং বিদেশিসহ ১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন।  

আরএম/আরএস