• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৯ আশ্বিন ১৪২৬
প্রকাশিত: জুন ১১, ২০১৯, ০২:২৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১১, ২০১৯, ০২:২৮ পিএম

এমপি লিটন হত্যাকাণ্ড

অস্ত্র মামলায় জাপার সাবেক এমপি কাদের খানের যাবজ্জীবন

জাগরণ প্রতিবেদক
অস্ত্র মামলায় জাপার সাবেক এমপি কাদের খানের যাবজ্জীবন


গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ সংক্রান্ত অস্ত্র মামলায় সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) আব্দুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক। কাদের খান জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি।

এর আগে, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক, শুনানিসহ সব কার্যক্রম শেষে গত ৩০ মে রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার সময় নির্ধারণ করেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গাইবান্ধার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রায়ের সময় অভিযুক্ত আসামি কাদের খান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে লিটন হত্যা মামলায় সাবেক এমপি  কর্নেল (অব.) ডা. আব্দুল কাদের খানকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়।

এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় তিনটি অস্ত্র ব্যবহার হয়। এর মধ্যে একটি অস্ত্র কাদের খান নিজে থানায় জমা দিয়েছেন। দ্বিতীয় অস্ত্রটি আব্দুল কাদের খানের গ্রামের বাড়ি ছাপরহাটি থেকে উদ্ধার করা হয়। 

কিন্তু তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তৃতীয় অস্ত্রটির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কাদের খানকে বগুড়ার বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে কাদের খানের দেওয়া তথ্যে তার বাড়ির উঠানে মাটির নিচ থেকে ছয় রাউন্ড গুলি ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিজ বাড়ি সুন্দরগঞ্জের সাহাবাজ (মাস্টারপাড়া) গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন তৎকালীন এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। 

এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলি বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫ থেকে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এছাড়া হত্যার কাজে ব্যবহৃত গুলিভর্তি পিস্তল উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইন মামলায় সুন্দরগঞ্জ থানায় আরেকটি মামলা করে পুলিশ। 

হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত কাদের খানসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তরা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়।

আরআই
 

Islami Bank