• ঢাকা
  • সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ৭ মাঘ ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১০, ২০১৯, ০১:৪৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ১০, ২০১৯, ০২:০৫ পিএম

‘দাদার হত্যাকারীর বিচার দেখে গেলে বাবা স্বস্তি পেতেন’   

জাগরণ প্রতিবেদক
‘দাদার হত্যাকারীর বিচার দেখে গেলে বাবা স্বস্তি পেতেন’   
অধ্যাপক অজয় রায়ের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ - ছবি: কাশেম হারুন

অধ্যাপক অজয় রায়ের ছোট ছেলে অনুজিৎ রায় বলেছেন, দাদা অভিজিৎ রায়ের হত্যকারীদের বিচার দেখে গেলে বাবা স্বস্তি পেতেন।সেই বেদনা নিয়েই চলে গেলেন বাবা। 

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অধ্যাপক অজয় রায়ের নাগরিক শ্রদ্ধাঞ্জলী অনুষ্ঠানে এসে তিনি এ কথা বলেন। 

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় এ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজনে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

অনুজিৎ রায় বলেন, পিতা হারানোর বেদনা আমি মর্মে মর্মে অনুভব করছি। তিনি শুধু আমার পিতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী, লেখক, বুদ্ধিজীবী, সর্বোপরি একজন মুক্তচিন্তার মানুষ।  তিনি বলেন, ইচ্ছা করলে বাবা সপরিবারে বিদেশে থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটি করেন নি। বাংলাদেশের টানেই তিনি সপরিবারে এদেশে থেকেছেন। তিনি বলতেন, এটা আমার দেশ, আমি দেশ ছেড়ে কেন যাবো?

তিনি আরও বলেন, ধর্ম নিরপেক্ষ, প্রগতিশীল, স্বাধীন, মৌলবাদমুক্ত, উদার গণতান্ত্রিক একটি রাষ্ট্রের জন্য বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। তার প্রত্যাশামাফিক বাংলাদেশ হলে, তার সকল সংগ্রাম সার্থক হবে। অনুজিৎ রায় জানান, অজয় রায়ের শেষ ইচ্ছা ছিলো, তার মরদেহ চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণার জন্য দান করা। তার ইচ্ছা অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে তার মরদেহ দান করা হবে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক অজয় রায় সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

এএএইচএস/বিএস