• ঢাকা
  • সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০১৯, ০৭:১৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ২, ২০১৯, ০৭:২৮ পিএম

পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক রংপুর নগর গড়ে তোলার অঙ্গীকার 

রংপুর সংবাদদাতা
পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক রংপুর নগর গড়ে তোলার অঙ্গীকার 

রংপুর নগরকে একটি নিরাপদ আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সিটি মেয়র, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সোমবার (২ ডিসেম্বর) রংপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে ‘নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন নগর’ (স্মার্ট শহর) শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ অঙ্গীকার করেন। 

রংপুর নগরের নানা সমস্যা ও তা দূরীকারণে এই প্রথম কোন সাংলাপের আয়োজন করলো রংপুর প্রেসক্লাব। এতে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

সংলাপে উপস্থিত বক্তরা নগরীর বিভিন্ন সমস্যা যেমন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ঐতিহ্যবাহী শ্যামাসুন্দরী খাল দখল ও ভরাটমুক্ত করে খালের উপরে সড়ক নির্মাণসহ দুই ধারে বনায়ন, নগরীর রাস্তাঘাটের সংস্কার, অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে ফুটপাতকে রক্ষা জনগণের চলালের উপযোগী রাস্তা তৈরি, পয়ঃনিষ্কাশনসহ অবৈধ বিল বোর্ড ইত্যাদি বিষয়ে সমস্যার সমাধানের কথা তুলে ধরেন। এ সময় কমিশনার, মেট্রো কমিশনার ও সিটি মেয়রসহ সকলেই সমস্যা সমাধানে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। 

অনুষ্ঠানে রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যেই রংপুর সিটি চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠবে। নিজের কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে যানযট প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, বর্তমানে নগরীতে ৫ হাজার অটোরিকশার লাইসেন্স দেয়া আছে। অথচ চলছে  প্রায় ১৫ হাজার। এদের একটি আটক করলেই তারা ধর্মঘট, ঘেরাও পোড়াও আন্দোলন শুরু করে। আর জন্য চাই নগরবাসীর সহযোগিতা। একই অবস্থা ফুটপাতের অবৈধ দোকানদার উচ্ছেন করলেও। 

বিভাগীয় কমিশনার কে. এম তারিকুল ইসলাম বলেন, শ্যামাসুন্দরী খালের সংস্কার এবং উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যেই একটি প্রজেক্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তা পাস হয়ে এলেই এর কাজ শুরু হবে।

মেট্রোপলিটিন পুলিশের কমিশনার মোহা. আবদুল আলীম বিপিএম বলেন, নগরীর নিরাপত্তার জন্য বর্তমানে নগরীতে ৩২ সিসি ক্যামেরা রয়েছে। তিনি বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য অচিরেই গোটা শহর সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। 

স্থানীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংলাপে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- ক্লাব সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সরকার, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মানিক সরকার মানিক। সভাপতিত্ব করেন ক্লাব সভাপতি রশীদ রাবু। 
   
সংলাপ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপি মহানগর ভাইস প্রেসিডেন্ট সুলতান আলম বুলবুল, নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন, চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. মফিজুল ইসলাম মান্টু, জাসদ সভাপতি গৌতম রায়, ওয়াকার্স পার্টির মাজিরুল ইসলাম লিটন, নারী নেত্রী মোশফেকা রাজ্জাক, উন্নয়নকর্মী ও ছড়াকার আশাফা সেলিম, দেবদাস ঘোষ দেবু, রেজাউল ইসলাম মিলনসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

কেএসটি