• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৯, ২০১৯, ০৬:৩৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ৯, ২০১৯, ০৬:৩৫ পিএম

‘এদেশে বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি থাকবে না’

‘এদেশে বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি থাকবে না’

আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত থাকলে আগামীতে এদেশে বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি থাকবে না মন্তব্য করে বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, এই জেলার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সুসংগঠিত ছিল বলেই গত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানকার চারটি আসনেই আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরাই বিজয়ী হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগের প্রাণ। বাগেরহাট আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। তাই এই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঠিক থাকলে এই আওয়ামী লীগ সরকারকে আর কোন দিন কেউ ক্ষমতা থেকে নামাতে পারবে না। আমাদের দলে কোন ভাড়া করা লোকের দরকার নেই। কোন দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী এবং সুযোগ সন্ধানীদের দলে জায়গা হবে না। দলে কোন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ডাকাতদের আওয়ামী লীগে প্রশ্রয় না দিতে দলের নেতাদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে স্থানীয় বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী ডিগ্রী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেনের সভপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান বক্তা ছিলেন- আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, মীর্জা আজম এমপি, এস এম কামাল হোসেন, আমিরুল আলম মিলন, বেগম হাবিবুন নাহার এমপি, শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নকিব নজিবুল হক নজু।

দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের সমঝোতার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য ডা. মোজাম্মেল হোসেনকে সভাপতি ও শেখ কামরুজ্জামান টুকুকে সাধারণ সম্পাদক করে পুনরায় কমিটি ঘোষণা করেন। এছাড়া খান হাবিবুর রহমানকে এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীনকে জেলা আওয়ামী লীগের এক নম্বর সদস্য এবং সদর আসনের তরুণ সংসদ সদস্য শেখ সরাহান নাসের তন্ময়কে দলের ২ নম্বর সদস্য পদে রাখার ঘোষণা দেন পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য। 

কেএসটি