• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২০, ০৯:১১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ৩১, ২০২০, ০৯:১১ পিএম

রাজশাহীতে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেলেন ৩,৬৭৩ জন

জাগরণ ডেস্ক
রাজশাহীতে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেলেন ৩,৬৭৩ জন
হোম-কোয়ারেন্টাইনের খোঁজ-খবর নিচ্ছে প্রশাসন ● বাসস

রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৬৭৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য বলেন, করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সামাজিক সংক্রমণ রোধে গত ১০ মার্চ থেকে বিভাগে মোট ৬ হাজার ৯৬৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছিল। বর্তমানে ৩ হাজার ২৯৫ জন হোম-কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

বিভাগের ৮ জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১০৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং ৩৬১ জন রোগীকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

জেলাগুলোতে নতুনদের মধ্যে ৫৭ জন রাজশাহীতে, নাটোরে ৯ জন, জয়পুরহাটে ৪ জন, বগুড়ায় ৩২ জন, সিরাজগঞ্জে ৪ জন এবং পাবনায় ১ জনকে হোম-কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে।

ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য জানান, বিভাগে মোট ৯ জন রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ রোধ করতে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নির্দেশাবলী যেমন-বাড়িতে থাকা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার প্রচারণাসহ প্রবাসী কিংবা যে কোনও সন্দেহভাজনদের কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনার জন্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এটি নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তাদের তৎপরতা জোরদার করেছে।

সব জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থা মাইক ব্যবহার করে ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তারা মাস্ক এবং স্যানিটাইজারও বিতরণ করছে।

বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শ্রমিক এবং দিনমজুরদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করছে।

সরকার করোনভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে বিভাগের ৮টি জেলায় খেটে খাওয়া প্রায় ১০ দশমিক ৪ লাখ দরিদ্র মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করেছে।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির খন্দকার জানান, করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দিনমজুর ও দরিদ্রদের সৃষ্ট অর্থনৈতিক কষ্ট লাঘবে সরকার এরই মধ্যে ৯১৩ দশমিক ১৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেছে। সরকারের তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিটি পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাচ্ছে।

তিনি জানান, বিতরণের জন্য আরও ১ হাজার ৬৫৭ দশমিক ৩৫ টন চাল মজুদ রয়েছে।

রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, রাজশাহী নগরীতে প্রায় ২০ হাজার স্বল্প আয়ের পরিবার আছেন। তারা কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে খাদ্য সহায়তা পেতে শুরু করেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোকে মাথাপিছু ১০ কেজি চাল ও ৫০০ গ্রাম করে ডাল পাচ্ছে। বাসস।

এসএমএম