• ঢাকা
  • বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ১১:৫৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ১১:৫৪ পিএম

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট 

চাটমোহর সংবাদদাতা
বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট 

বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র আওতায়, এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করা হয়। সেই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে গড়ে তোলা হয়েছে ঘর-বাড়িসহ শতাধিক দোকানপাট ও মুরগীর খামার। বাঁধ সংলগ্ন জলাশয়ে করা হচ্ছে মাছ চাষ। দোকানপাট, ঘর-বাড়ি নির্মাণ ও মাছ চাষে অনুসরণ করা হয়নি সরকারি বিধান, আর এ সব স্থাপনা ব্যবহারকারীদের কাছে থেকে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছে পাউবো’র স্থানীয় অফিসের লোকজন- এমন গুঞ্জন রয়েছে বাঁধ সংলগ্ন গ্রামগুলোতে। ঘটনাটি পাবনার চাটমোহরের বাঘলবাড়ি এলাকার।

এলাকাবাসী বলছেন, বাঁধগুলোতে  থাকা স্থাপনাগুলো যদি সরকারি বিধান মেনে লীজ দেওয়া যায়, তাহলে হাজার হাজার টাকা রাজস্ব পাবে সরকার। দরিদ্র মানুষের বসবাসের পাশাপাশি ও কর্মসংস্থানের চালু থাকবে। সেই সঙ্গে বন্ধ হবে পাউবোর’র লোকজনের নিয়ম বহিঃভূত কর্মকাণ্ড।
 
এলাকাবাসীর কথায়, বাঁধটির রুপসী,নিমাইচড়া,বাঘলবাড়ি ও মান্নাননগর এলাকায় বসানো হয়েছে বাজার। নিয়মিত বাজারের পাশাপাশি সপ্তাহের নির্দিষ্ট বারে হাটও বসে এ সব স্থানে। কেউ কেউ ২৫/৩০ বছর আগে বাধেঁর জায়গা নিজেদের দখলে নিয়েছেন। কিন্তু পাউবোর পক্ষ থেকে  এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখেননি তারা। মাছ চাষ ও স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কেউ কেউ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত।  
 
চাটমোহর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ মাস্টার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ যারা দখল করেছে, যারা এ দখলে সহায়তা করেছে বা করছে তাদের চিহ্নিত করা দরকার। পাউবো’র কর্মকর্তারা এর সাথে জড়িত বলে শুনেছি। এ বিষয়ে সরকারের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। পানি উন্নয়ন বোর্ড পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছে, দখলকারীদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।