• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১, ৯ আষাঢ় ১৪২৮
প্রকাশিত: মে ১২, ২০২১, ০৩:৩২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ১২, ২০২১, ০৭:২২ পিএম

‘বাবুলের সঙ্গে এনজিওকর্মীর পরকীয়া ছিল’

‘বাবুলের সঙ্গে এনজিওকর্মীর পরকীয়া ছিল’

মাহমুদা খানম মিতুর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের সঙ্গে এক এনজিও কর্মীর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে জানান মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।

বুধবার (১২ মে) দুপুর দুইটার দিকে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় বাবুলসহ আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করার পর মিতুর বাবা এ বলেন।

মোশাররফ হোসেন বলেন, “বাবুলের পরকীয়ার বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় মিতুর সঙ্গে বাবুলের ঝগড়া হয়। মৃত্যুর আগে আমার মেয়ে বিষয়টি জানিয়েছিল। বিষয়টি সমাধানেরও চেষ্টা করি। কিন্তু সফল হয়নি।

অভিযোগ করে মোশাররফ বলেন, “বাবুল ও ওই নারী মিতুকে মেরে ফেলার হুমকি দেন।”

মামলায় বাবুলসহ আটজনকে আসামি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মোশাররফ। 

আসামিরা হলেন- বাবুল আক্তার, কামরুল সিকদার মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোহাম্মদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ আনোয়ার, মোহাম্মদ শাহজাহান, মোহাম্মদ সাজু ও মোহাম্মদ কালু।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া।

আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, ‘তদন্তের জন্য পিবিআই চিঠি দিয়েছে। আমরা মামলাটি পিবিআইকে দিয়ে দিচ্ছি।’

মিতু হত্যার অভিযোগে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। বুধবার (১২ এপ্রিল) দুপুর পৌনে একটায় চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন। মামলায় আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে, সকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান ও পুলিশের উপমহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার বলেছেন, “মিতু হত্যার নতুন মামলায় ১ নম্বর আসামি হবেন তার স্বামী, পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার। নতুন মামলার বাদী হতে পারেন মাহমুদা আক্তার মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।”