• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১, ৯ আষাঢ় ১৪২৮
প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২১, ০৩:১৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ১৫, ২০২১, ০৩:১৫ পিএম

পানির জন্য দীর্ঘ লাইন

পানির জন্য দীর্ঘ লাইন

গোপালগঞ্জ জেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে তীব্র তাপদহে নিরাপদ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পানির সমস্যা মেটাতে এগিয়ে এসেছে গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

শনিবার (১৫ মে) শহরতলীর কুয়াডাঙ্গা এবং গোপীনাথপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় এক হাজার পরিবারের মধ্যে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করা হয়।

সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা ভ্রাম্যমাণ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নিয়ে এই পানি সরবরাহ করেন।

যে সকল এলাকায় গভীর নলকুপ নেই, বা থাকলেও পানিতে লবণাক্ত থাকায় মানুষ ওই পানি পান করতে পারছে না। সেসব এলাকার মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে বা বিভিন্ন দোকান থেকে পানি কিনে চাহিদা মেটাচ্ছেন। এ অবস্থায় ওইসব এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করছে জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

রতন কুমার সাহা বলেন, “গোপালগঞ্জের পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপদ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আর তাই আমরা রমজানের শুরু থেকেই প্রতিদিন সকালে নির্দিষ্টস্থানে অবস্থান করে নদী বা পুকুর থেকে পানি তুলে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট শুরু করি। এরপর জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে স্থানীয়রা আমাদের কাছে এসে খাবার পানি নিয়ে যান।”

সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল আরও বলেন, “ভ্রাম্যমাণ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে প্রতি ঘণ্টায় ৬০০ লিটার পানি ফিল্টারিং করি। দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘণ্টায় আমরা অন্তত এক হাজার পরিবারে খাবার পানি সরবরাহ করি। ইতিমধ্যে সদর উপজেলার প্রায় এলাকায় এই সেবা দেওয়া হয়েছে।”

জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক চন্দ্র তালুকদার বলেছেন, “তীব্র তাপদাহের কারণে গোপালগঞ্জ জেলার সর্বত্র লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপদ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। করোনা মোকাবেলায় চলমান লকডাউনে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমরা ভ্রাম্যমাণ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট গাড়ি পাঠিয়ে বিভিন্ন এলাকায় পানি ফিল্টারিং করে স্থানীয়দের মধ্যে সরবরাহ করি।”