• ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯
প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২২, ০১:০৭ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ২৬, ২০২২, ০৭:০৭ পিএম

সিলেটের আশ্রয়কেন্দ্রেগুলোতে এখনও ৫০ হাজার মানুষ

সিলেটের আশ্রয়কেন্দ্রেগুলোতে এখনও ৫০ হাজার মানুষ
ফাইল ফটো

সিলেট জেলার ৬০৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন। সরকারি হিসাবে নগরীর আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৭ হাজার ৫০৭ জন এখনও রয়েছেন। পুরো জেলায় সব মিলে ৫৭৬ টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৯ হাজার ৭৭২ জন বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন।

১ হাজার ২৬৫ টি গবাদি পশু রয়েছে এখানে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরেছেন। যারা এখনও ফিরতে পারেননি তারা ঘরে ফেরার অপেক্ষা করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে। খবর বাসসের।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবুর রহমান জানান, রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার  মানুষ অবস্থান করছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আশ্রিত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। ওখানে মোট ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন বানভাসী।

এরপরেই অবস্থান সিলেট সিটি করপোরেশনের। মহানগরীর মোট ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন। 

বিয়ানীবাজার উপজেলার মোট ৭৩টি আশ্রয় কেন্দ্রে বানবাসীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৭৮ জন। সিলেট শহরতলীর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৭৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৬ হাজার ২৪২ জন বানভাসী।

বালাগঞ্জে ৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৪ হাজার ৯৮৩ জন, সিলেট সদরে বর্তমানে ৩৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৫৩৮ পরিবারের প্রায় ২ হাজার ৫শ জন।

গোলাপগঞ্জে মোট ৪৮ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৯৮৫, কোম্পানীগঞ্জে ৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮৯৫, ফেঞ্চুগঞ্জে ২০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৪৩২, গোয়াইনঘাটে ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৮০, জৈন্তাপুরের ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫০৪, কানাইঘাটে ৪৭ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৭ ও জকিগঞ্জের ৫৬ আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৫৬ জন বানভাসী অবস্থান করছেন।

বানভাসী মানুষের জন্য সরকারী ও বেসরকারিভাবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত আছে। ত্রাণ বিতরন কার্যক্ষম আরও সুশৃঙ্খল করতে ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য প্রত্যেক উপজেলায় আলাদা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জাগরণ/বন্যাপরিস্থিতি/এসএসকে