• ঢাকা
  • শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১, ২৭ চৈত্র ১৪২৭
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১, ০৪:৫৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১, ০৪:৫৬ পিএম

আবারো মঞ্চে ‘দুই আগন্তুক বনাম করবী ফুল’

আবারো মঞ্চে ‘দুই আগন্তুক বনাম করবী ফুল’

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রদর্শিত হবে স্পেস অ্যান্ড অ্যাক্টিং রিসার্চ সেন্টার-এর ৩৫ ও ৩৬তম প্রযোজনার (প্যান্ডামিক ভার্সন) দুই আগন্তুক বনাম করবী ফুল। নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আশীষ খন্দকার। ৪০ মিনিটের এই মঞ্চ নাটকটির একটি নয়, এদিন সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ৮টায় হবে দুটি প্রদর্শনী।

নাটকে দুই আগন্তুক চরিত্রে দেখা যাবে ফরহাদ শাওন ও রাব্বীকে। আর বান্দ্রা চরিত্রে দেখা যাবে মানিসা অর্চিকে।

আশীষ খন্দকার বলেন, “রূপকথার চিরায়িত চরিত্রগুলো অন্যরকমভাবে মঞ্চে উঠে আসবে। এর চরিত্রগুলো যেন প্রাচ্য-পাশ্চাত্যে যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকা চিরাচরিত রূপকথার গল্প। যে গল্পটা আবার ঘুরিয়ে দেখলে দেখতে পাওয়া যায়, বর্তমানেও এই ঘুণে ধরা, পচা গলা বাস্তবতা আছে। এর রূপকগুলো মঞ্চে প্রাণ পায় অভিনেতার বিভিন্ন কার্যকলাপে। নাটকটি দেখতে আগ্রহীরা অনলাইনেও টিকিট বুকিং দিতে পারবেন।”

দুই আগন্তুক বনাম করবী ফুল নাটকের গল্পে দেখা যাবে, দুই আগন্তুক সন্ধান করছিল তাদের নিরুদ্দেশ বাবাকে। আগন্তুকদ্বয় রাজ্য ছাড়া হয়েছিল প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে। মৃত্যুভয়ে তারা পথে পথে পালিয়ে ফিরছিল। একটি ঐন্দ্রজালিক আয়না তাদের অনুসরণ করছিল। তারা জাদুকরীভাবে আবিষ্কার করছিল পৃথিবীর রহস্যগুলো। বহু বছর পৃথিবীর পথ থেকে পথে তারা তাদের নিরুদ্দেশ বাবার সন্ধান করে ফেরে, এক সময় তারা স্থান-কাল অতিক্রম করে। পুরনো পৃথিবীর দুর্গম পথে তাদেরকে তাড়া করে বেড়ায় অজানা শঙ্কা আর অনিশ্চয়তা। রোগ-শোকে ভুগে তাদের চেহারা জামা-কাপড় সবকিছুতে তামাটে রং লেগেছে।

তবুও ফেরার কোনো উপায় নেই। সৎমার ঐন্দ্রজালিক ক্ষমতাবলে আয়নায় দেখতে পায় তারা কি করছে—আদেশের অন্যথা হলে নিশ্চিত মৃত্যু। কনিষ্ঠ আগন্তুক সব রকমের আগ্রহ হারিয়েছে, খোলা আকাশের নিচে খাদ্যসঙ্কট, অনিশ্চয়তাকে সে বিদায় জানাতে চায় চিরতরে, সে তার পথে ফিরে যেতে চায়।

কিন্তু জ্যেষ্ঠ আগন্তুক কিছুতেই তা হতে দিতে চায় না, সে তাদের জীবনের লক্ষ্য পূরণ করে থামতে চায়, ফলে তাদের মধ্যে তৈরি হয় অবিশ্বাস, অন্তর্দ্বন্দ্ব ও কলহ। এইভাবে পথে চলতে চলতে, তারা একদিন শেষ বিকেলে এসে তাম্র শহরের অদূরে এক জনমানব শূন্য পাহাড়-সাগরে ঘেরা বাগানে আশ্রয় গ্রহণ করে। তারা ওই ত্রিমুখী শহরে ঢুকতে চায়, যেখানে থেকে তারা তাদের প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহ করবে, কিন্তু অন্ধকার না হলে ওই শহরে প্রবেশ করা যাবে না। কারণ এটা সাধারণ কোনো শহর নয়। ইতোমধ্যে তারা জানতে পারে যে, তার সীমা অতিক্রম করে এক অসীম জগতে ঢুকে পড়েছে। এমন সময় তারা একটি পরিত্যক্ত জাহাজ দেখতে পায়, এই জাহাজের পাহারাদার পরিচয়দানকারী এক মামুলি রহস্যময় বিজ্ঞ মানুষের সাথে সাক্ষাৎ হয়। এভাবে ধাপে ধাপে নানান ঘটনার মধ্যে কাহিনীর সমাপ্তি ঘটে।