• ঢাকা
  • শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২২, ১১:৪৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ৮, ২০২২, ০৫:৪৫ পিএম

শনাক্তের ৭০ শতাংশই ওমিক্রন

শনাক্তের ৭০ শতাংশই ওমিক্রন
ফাইল ফটো

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ২১ জনের দেহে করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রনের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের বেশিরভাগই বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস নেই বলে দেখা গেছে। সামাজিক সংক্রমণের মাধ্যমেই তারা আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

গবেষকরা বলছেন, দুই-এক সপ্তাহ আগেও পজিটিভ নমুনার পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ ছিলও ওমিক্রন। যা এখন ৬০ থেকে ৭০ ভাগে পৌঁছেছে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। 

ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার সংখ্যাটা ছিলও পাঁচ থেকে দশ লাখের মধ্যে।  কিন্তু দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এই সংখ্যা এখন ২৫ থেকে ২৮ লাখ। বলা হচ্ছে, করোনার ওমিক্রন ধরণের কারণেই এই হঠাৎ বিস্ফোরণ। 

যুক্তরাষ্ট্রের কথাই ধরা যাক। ডিসেম্বরের শুরুতে দেশটিতে প্রথম ওমিক্রন শনাক্ত হয়। এখন দেশটিতে দৈনিক করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হচ্ছে দশ লাখেরও বেশি। 

গেলো একমাসে আমেরিকায় যতগুলো জিনোম সিকোয়েন্স হয়েছে, তার ৫৫ শতাংশেই ওমিক্রন মিলেছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। 

চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সমীর কুমার সাহা বলেন, এখনকার নমুনার প্রাথমিক পরীক্ষায়ও ওমিক্রনের উপস্থিতি বেড়েছে কয়েকগুণ। ওমিক্রনে মৃত্যু কম হলেও এটি ডেল্টার তুলনায় অনেক বেশি সংক্রমণশীল। সংক্রমণ বেশি হলে ঘুরেফিরে মৃত্যুর সংখ্যায়ও বেড়ে যাবে। 

তাই এখন থেকেই অনেক বেশি সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন তিনি। 

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ২১ জনের নমুনায় ওমিক্রনের সংক্রমণ মিলেছে। যাদের ১৪ জন নারী আর সাতজন পুরুষ। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রতি দুই থেকে তিনদিনে করোনার রোগী দ্বিগুণ হচ্ছে ওমিক্রনের কারণে। তাই এই ধাক্কা সামাল দিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে টিকা আওতায় আনার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

জাগরণ/এসএসকে