• ঢাকা
  • শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২০, ১২ মাঘ ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ০৬:১৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ০৬:১৬ পিএম

দেশে ভিক্ষুক আড়াই লাখ : সংসদে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

জাগরণ প্রতিবেদক
দেশে ভিক্ষুক আড়াই লাখ : সংসদে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মো. নুরুজ্জামান আহমেদ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মো. নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য সমন্বিতভাবে কোনো জরিপ পরিচালিত হয়নি। তবে, জেলা পর্যায়ের জেলা প্রশাসক এবং জেলা সমাজসেবা অফিসের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের জরিপ অনুযায়ী সারাদেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার। সারাদেশের ভিক্ষুকের পুর্নবাসন কার্যক্রমে মন্ত্রণালয়ের চাহিদা সাড়ে ৪শ কোটি টাকার বিপরীতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মাত্র ৩ কোটি টাকা। বরাদ্দ পাওয়া পুরো টাকাই ভিক্ষুকের পুর্নবাসনে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-৪ আসনের এমপি দিদারুল আলমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদে ওই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। দেশের ০.১৭ শতাংশ মানুষ ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। ভিক্ষুকের পুর্নবাসনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ডিসিদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

মো. ফরিদুল হক খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের ১৮ জেলায় ৫১টি উপজেলা ও ইউনিটের অধীনে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহিতা মহিলা ভাতা এবং অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা উপকারভোগীদের ডিজিটাল পদ্ধতি তথা জিটুপি পদ্ধতি ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ২১৪৪৩.৭৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিক ব্যয়ে সিটিএম প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

এ কে এম রহমতুল্লাহ প্রশ্নের জবাবে নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, সরকারি শিশু পরিবারে পিতৃহীন অথবা পিতৃ-মাতৃহীন ৬-১৮ বছরের শিশুদের লালন পালন করে থাকে। বয়স ১৮ বছর উত্তীর্ণ হলে তাদের বিবাহের, চাকরি, সামাজিকভাবে, প্রশিক্ষণের এবং শিক্ষার মাধ্যমে পুর্নবাসন করা হয়। ৬ বিভাগে ৬টি এতিম ও প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি শিশু পরিবার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৬৯ হাজার ২৮৬ জনকে পুর্নবাসন করা হয়েছে।

এইচএস/টিএফ

আরও পড়ুন