• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০, ৪ মাঘ ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৯, ২০১৯, ০৪:৩৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ৯, ২০১৯, ০৪:৩৯ পিএম

শেখ হাসিনা যত সফল হচ্ছেন, চক্রান্ত তখন গভীর হচ্ছে : নাসিম

জাগরণ প্রতিবেদক
শেখ হাসিনা যত সফল হচ্ছেন, চক্রান্ত তখন গভীর হচ্ছে : নাসিম
মোহাম্মদ নাসিম - ফাইল ছবি
অপশক্তিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা হবে

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারপরও চক্রান্ত শেষ হয়নি। আমরা ১৪ দলের পক্ষ থেকে বারবার বলেছি, শেখ হাসিনা যত সফল হচ্ছে চক্রান্ত তখন গভীর হচ্ছে। এ সকল অপশক্তিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে।   

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নিয়মিত সভায় তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ডিএপি সারের দাম কমানোয় প্রধানমন্ত্রীকেও এসময় ধন্যবাদ জানায় ১৪ দল। 

সভায় বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে ১৪ দলের কর্মসূচি জানিয়ে নাসিম বলেন, ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন, ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ১৮ ডিসেম্বর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।  

নাসিম বলেন, বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য রাজপথে নয়, কোর্ট প্রাঙ্গণে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। আমরা সবসময় বলি, আইন আইনের মতো চলবে। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই। আইন যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটি আমার সম্মান করি। ১৪ দল আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, ঐক্যবদ্ধ থেকে রাজনৈতিকভাবে বিএনপি-জামায়াতের অপশক্তিকে চূড়ান্ত পরাজিত করবো, নির্বাচনের মাঠে হোক বা রাজপথে হোক। 

তিনি বলেন, আমরা ১৪ দল এখনো মনে করি বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতা হত্যার নেপথ্যের খলনায়কদের বিচার হয়নি। শুধু মোশতাক নয়, বেঈমান জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার মুল কারিগর। তার নির্দেশে পরিকল্পনা অনুযায়ী জেলখানায় স্বাধীনতার ৪ মহানায়ককে হত্যা করা হয়েছে। সে চেয়েছিল এই ৪ নেতা বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করার জন্য ৪ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যে তাকে (জিয়াউর রহমান) মুক্ত করেছিল সেই কর্নেল তাহেরকেও হত্যা করেছিল। হত্যা করেছিল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, বিভিন্ন সেনানিবাসে অনেক সৈনিককে হত্যা করেছে জিয়াউর রহমান। আমরা ১৪ দল থেকে বারবার বলেছি, আইনমন্ত্রীকে বলেছি, আপনারা কমিশন গঠন করে এই মূল খলনায়ক জিয়াউর রহমানের মুখোশ উন্মোচন করুন। জিয়াউর রহমানের বিচার না হলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে না। এই মূল খলনায়কের বিচার হতে হবে বাংলার মাটিতে।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে লড়াই করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছিলাম। ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে। মা-বোন ইজ্জত দিয়েছে। সেই মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আমাদের বেদনা হলো, মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মাথায় আমরা বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছি।  জাতির জনককে সপরিবারে আমরা হারিয়েছি। আল্লাহ রহমতে বিদেশে থাকার কারণে জাতির জনকের দুই কন্যার একজন বর্তমানের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পেয়েছিলাম, বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানাকে পেয়েছিলাম।

তিনি বলেন, জেলখানায় আমরা জাতীয় ৪ নেতাকে হারিয়েছি ৩ নভেম্বর। আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুহত্যার বিচার হয়েছে। ’৭১-এর ঘাতকদের বিচার হয়েছে।  

১৪ দলের সভায় উপস্থিত ছিলেন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ডা. শাহাদাৎ হোসেন, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি প্রমুখ। 

এএইচএস/ এফসি

আরও পড়ুন