• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০, ১৫ কার্তিক ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২০, ০৭:৪৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২০, ২০২০, ০৭:৪৮ পিএম

ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় সীমা বাড়িয়ে সংসদে বিল

জাগরণ প্রতিবেদক
ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় সীমা বাড়িয়ে সংসদে বিল

ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় সীমা ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন করার বিধান রেখে ‘ভোটার তালিকা সংশোধন আইন ২০২০’ বিল সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। পাশাপাশি উত্থাপিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন আইন ২০২০’ বিল। 

সোমবার (২০ জানুয়ারি) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে ভোটার তালিকা সংশোধন আইন ২০২০ বিলটি উত্থাপন করেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। 

এর আগে রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ রহিত করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন আইন ২০২০ বিলটি উপস্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল হক। পরে বিল দু’টি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

‘ভোটার তালিকা সংশোধন আইন ২০২০’ বিলে ২০০৯ সালে প্রণীত ভোটার তালিকা আইনের ১১ ধারার ১ উপধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ‘জাতীয় ভোটার দিবসে’র সাথে মিল রেখে কম্পিটার ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিদ্যমান ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময়সীমা প্রতি বৎসর ২ জানুয়ারি হতে ৩১ জানয়ারি’র পরিবর্তে ‘২ জানুয়ারি হতে ২ মার্চ’ প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময়সীমা ৩০ দিন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ দিন হবে। 

‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন আইন ২০২০’

১৯৬১ সালে প্রণীত ৩৫টি ধারা সম্বলিত ‘রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন অর্ডিন্যান্স’ স্থলে আইনটি যুগোপযোগী করতে ২৯ ধারা সমন্বয়ে ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন আইন ২০১৯’ প্রণয়ন করা হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আইনটি মন্ত্রিসভায় পাস হয়। বিলে ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন’-এর জন্য এক হাজার কোটি টাকা মূলধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

এই মূলধন একশ’ কোটি সাধারণ শেয়ারে বিভক্ত হবে। ৫১ শতাংশ শেয়ার সরকারের মালিকানায় থাকবে। এছাড়া বিলে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন পরিচালনা পরিষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এতে স্থানীয় সরকার, মন্ত্রিপরিষদ, অর্থ, সড়ক পরিহবহণ ও মহাসড়ক এবং জননিরাপত্তা বিভাগ, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, ডিটিসিএ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, শেয়ার হোল্ডারদের প্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক বিভাগের প্রতিনিধি থাকবেন।

এইচএস/ এমএইচবি