• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০১৯, ০৩:৩২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ১১, ২০১৯, ০৩:৩২ পিএম

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে জনসংখ্যা, ফুরিয়ে আসছে বেঁচে থাকার রসদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিশ্বজুড়ে বাড়ছে জনসংখ্যা, ফুরিয়ে আসছে বেঁচে থাকার রসদ


আজ, ১১ জুলাই সারা বিশ্বজুড়েই পালিত হচ্ছে এমন একটা দিন যার কোপ ধীরে ধীরে টের পাচ্ছে মানবজাতি। একই সঙ্গে বেঁধে বেঁধে থাকার যেমন দিন, তেমনই দমবন্ধ হয়ে আসা এক চাপের দিনও আজ। আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। মূলত বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা জনসংখ্যা এবং বিশ্বের সমাজনীতি, অর্থনীতি ও বেঁচে থাকার মূল রসদের উপর বাড়তে থাকা চাপের দিকে আরও একবার চোখ তুলে তাকানোর দিন আজ।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ১৯৮৯ সালে ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সাথে সম্পর্কিত নানা সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই প্রায় তিন দশক ধরে পালিত হচ্ছে এই দিনটি। ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই ‘পাঁচ বিলিয়ন দিবস' উদযাপিত হয়, সেই দিনটির সূত্র ধরেই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের সূচনা। এই দিন বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটি ছাড়িয়েছিল। আজ তা প্রায় সাড়ে সাতশো কোটি।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের থিম এবং তাৎপর্য

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপনের পিছনে মূল উদ্দেশ্যই হল জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাগুলিকে আবারও খতিয়ে দেখা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচিকে কীভাবে এই জনসংখ্যা প্রভাবিত করে তা বিশ্লেষণ করা।

জনসংখ্যা মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি হলে সবার আগে তার কোপ পড়ে সম্পদের উপর। প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত হ্রাস হতে থাকে এবং এর দীর্ঘস্থায়ীত্বের উপরও বাধা সৃষ্টি করে জনসংখ্যা। তবে, এই মূল সমস্যা ছাড়াও, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আসলে বিশ্বভ্রাতৃত্বের উদযাপনেরও এক সুযোগ। এই বিশ্বের প্রতি নিজের দায়িত্ব বুঝে তা পালনের দিন আজ।

জনসংখ্যা সংক্রান্ত নানান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য জনসংখ্যা বিভাগ জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, পরিকল্পনা, তহবিল এবং অংশের সঙ্গে মিশেই কাজ করে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে পালন করা হয়। ইউনাইটেড নেশনস ফান্ড ফর পপুলেশন অ্যাক্টিভিটিস কাউন্টি অফিসের (UNFPA) অধিকাংশগুলিতেই এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করার জন্য এবং দিনটির বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পোস্টার লেখা এবং প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা বা খেলাধুলোর কনসার্টের আয়োজন করা হয়। ২০১১ সালে, বিশ্বের জনসংখ্যা ৭ বিলিয়নের মাত্রা অতিক্রম করে। এই উপলক্ষে ইউএনএফপিএ এবং এর অংশীদাররা ৭ বিলিয়ন মানুষের এই বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সুযোগ ও চ্যালেঞ্জগুলি সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন করতে, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে ৭ বিলিয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলিতে মৃত্যুর হারের অভূতপূর্ব হ্রাসের ঘটনা সামনে আসার পরেই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের বিষয়টি প্রস্ফূট হয়। ১৮০০ থেকে শুরু করে ২০০৫ সালের মধ্যে ৩০ থেকে ৬৭ বছর পর্যন্ত জীবনকাল বৃদ্ধি পায়। যার ফলস্বরূপ ২০১০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ১ বিলিয়ন থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৭ বিলিয়ন।

সূত্র : ইউএনএফপিএ

এসজেড

Islami Bank