• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১২:২৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১২:২৬ পিএম

সিএএ নিয়ে দ্বন্দ্ব বাড়ছে বঙ্গ বিজেপিতে

দীপঙ্কর দাশগুপ্ত, কলকাতা
সিএএ নিয়ে দ্বন্দ্ব বাড়ছে বঙ্গ বিজেপিতে
চন্দ্র বসু ও দিলীপ ঘোষ (ডানে)
দলের রাজ্য সভাপতির সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে চন্দ্র বসু

ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে প্রথম থেকেই বেসুরো গাইছিলেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ভাতুষ্পুত্র তথা রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি চন্দ্র বসু। এবার তা আরও প্রকট হতে শুরু করেছে। একমাসে দ্বিতীয়বার সিএএ নিয়ে রাজ্য বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে তুলেছেন তিনি। মোদি সরকারকে পরামর্শ দেয়ার সুরেই তিনি বলেছেন, যদি সরকার বলে দেয় সবাই নাগরিকত্ব পবে, তাহলেই বিষয়টির সমাধান হয়ে যায়। এরপরেই পাল্টা আক্রমণের রাস্তা নেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

চন্দ্রবাবু বলেছেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) চালু হয়ে যাওয়ার পর বিতর্ক থামানোর একটা রাস্তা আছে। সারা ভারতজুড়ে যে প্রতিবাদ–আন্দোলন চলছে, এর সমাধান খুব সহজেই করা যায়। বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে তিনি বলেছেন—সরকার যদি স্পষ্ট জানিয়ে দেয় হিন্দু, মুসলমান, শিখ, খ্রিস্টান সবাই নাগরিকত্ব পাবে, তাহলেই বিষয়টির সমাধান হয়ে যায়। ধমক দিয়ে, ভয় দেখিয়ে কোনো আইন কার্যকরী করা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিজেপি সরকারের উদ্যোগে তৈরি হওয়া সিএএ-তে রয়েছে, প্রতিবেশী আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম বাদে ৬টি ধর্মের সবাইকে নাগরিকত্ব দেয়া হবে। নাগরিকত্ব দেয়ার এই ধর্মীয় বিভাজনের প্রতিবাদেই উত্তাল গোটা ভারত।

বিরোধীদের আক্রমণের বিরোধিতায় চন্দ্র বসু সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, যে ভাষায় বিজেপির নেতারা বিরোধীদের আক্রমণ করছেন, তা শোভা পায় না। বিরোধীদের অবস্থানটাও বোঝার চেষ্টা করা দরকার। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আইনটি যেহেতু পাস হয়ে গেছে, তাই এভাবে প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ দেখিয়ে খুব একটা লাভ হবে না। বরং আইনের প্রতিকার চেয়ে বিরোধীরা সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে।

তার এই বক্তব্যের পরেই পাল্টা আক্রমণের রাস্তায় গেছেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, চন্দ্র বসুকে কে নেতা বানিয়েছে? কটা ভোট পেয়েছিলেন? আগে একটা পঞ্চায়েত জিতে আসুন, তারপর বড় বড় কথা বলবেন।

এফসি