• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: জুন ১০, ২০১৯, ০৫:১৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১০, ২০১৯, ০৬:৪৩ পিএম

দুদক পরিচালক এনামুল বাছির সাময়িক বরখাস্ত

জাগরণ প্রতিবেদক
দুদক পরিচালক এনামুল বাছির সাময়িক বরখাস্ত
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির

তদন্ত চলাকালে তদন্তাধীন তথ্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করার অপরাধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১০ জুন) বিকালে দুদক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের আলাদা তদন্ত হবে জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মিজানুর রহমানের দুর্নীতি তদন্তে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও তথ্য পাচারের অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অন্যায় করলে কেউ ছাড় পাবে না। ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব নিয়েছি বলেই তো অ্যাকশন নিয়েছি। চাকরির শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। এর আগে অবৈধ সম্পদের তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির কয়েক দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজান। এরপরই পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজানের দাবি, গত ১৫ জানুয়ারি থেকে ২ মে পর্যন্ত দুই দফায় (প্রথমে ২৫ লাখ, পরে ১৫ লাখ) ঘুষের এই টাকা লেনদেন হয়েছে রমনা পার্ক এবং পুলিশ প্লাজায় অবস্থিত ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর কাপড়ের দোকানে। দুদকের ওই পরিচালক ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এর মধ্যে অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা ছাড়াও তিনি তার সন্তানের স্কুলে আসা-যাওয়ার জন্য একটি প্রাইভেটকারও চান।

দুদকের ওই পরিচালক ঘুষের টাকা ব্যাংকে বেনামি অ্যাকাউন্টে রাখার চেষ্টা করেন বলেও দাবি বর্তমানে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানের।

প্রায় দুই বছর আগে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা মিললেও এখনও তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এইচএস/এসএমএম