• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯, ৮ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ০৩:৫৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ৮, ২০১৯, ০৯:০৫ পিএম

ফাহাদ হত্যাকাণ্ড

১০ ছাত্রলীগ নেতা ৫ দিনের রিমান্ডে

জাগরণ প্রতিবেদক
১০ ছাত্রলীগ নেতা ৫ দিনের রিমান্ডে
অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের আদালতে নেয়া হচ্ছে- ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ‌্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত‌্যা মামলায় ১০ ছাত্রলীগ নেতার  ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী এই আদেশ দেন। 

এ তথ্য জানান আসামিদের অন্যতম আইনজীবী আবেদুর রহমান সবুজ। ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রাজধানীর চকবাজার থানার পরিদর্শক কবির হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাদের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।  

রিমান্ডকৃত ছাত্রলীত নেতারা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, দ্বিতীয় বর্ষ), সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, দ্বিতীয় বর্ষ), সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল (বায়ো মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, তৃতীয় বর্ষ), সদস্য মুনতাসির আল জেমি (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ), মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, তৃতীয় বর্ষ) এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির ও একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না।

ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস জেরে আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আবরারের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। তার বাবা বরকতউল্লাহ একজন এনজিও কর্মী, মা রোকেয়া বেগম কিন্ডার গার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার বড়। তার ছোট ভাই ঢাকা কলেজের ছাত্র।

ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ তিনি বলেন, নিহত আবরারে ফাহাদের হাত, পা ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আবরারকে বাঁশ বা স্ট্যাম্প জাতীয় জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে বাবা বরকতউল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার মামলা করেছেন। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এরই মধ্যে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আবরার হত্যা সংক্রান্ত ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন—

এমএ/একেএস/এসএমএম

আরও পড়ুন