• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১, ৭ বৈশাখ ১৪২৮
প্রকাশিত: মার্চ ৮, ২০২১, ০৯:৫৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ৮, ২০২১, ১০:৫৮ পিএম

‘জীবিত বা মৃত ধর্ষিতার পরিচয় প্রচার নিষেধ’

‘জীবিত বা মৃত ধর্ষিতার পরিচয় প্রচার নিষেধ’

যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার জীবিত বা মৃত নারীর ছবি এবং পরিচয় গণমাধ্যমে প্রচার-প্রকাশ না করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশ বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে রুল জারি করেছেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৪ ধারায় সংবাদমাধ্যমে নির্যাতিত নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বিধিনিষেধের উল্লেখ আছে। এ বিধান বাস্তবায়নে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ওই রিট করেন, যার ওপর আজ শুনানি হয়।

মাহফুজুর রহমান বলেন, “আইনের ১৪ ধারা অনুসারে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। অথচ বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীর ছবি ও তাদের পরিচয় প্রায়ই প্রকাশ ও প্রচার করা হয়, যা সম্পূর্ণ আইনবিরোধী। আইনের ওই বিধান বাস্তবায়নে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়।”

রিটকারী আরও বলেন, “বিশেষ করে সম্প্রতি ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যাওয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের এক শিক্ষার্থীর ছবি দেশের অধিকাংশ গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এ ছবি প্রকাশের ঘটনা আমাদের ব্যথিত করেছে। তাই সংক্ষুব্ধ হয়ে এ রিট দায়ের করা হয়েছে।”

তথ্যসচিব, আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, প্রেস কাউন্সিল ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৩ মে পরবর্তী শুনানির জন্য দিন রাখা হয়েছে।