• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯ আশ্বিন ১৪২৭
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০, ০৩:৪১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০, ০৫:০৮ পিএম

‘করোনাভাইরাসে পর্যটন শিল্পে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি’

জাগরণ প্রতিবেদক
‘করোনাভাইরাসে পর্যটন শিল্পে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি’
সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহাবুব আলী - ছবি : জাগরণ

বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলা হচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে বিমানে যুক্ত হবে আরো ৫টি বিমান। করোনাভাইরাসে দেশের পর্যটন শিল্পে কোনো প্রভাব পড়েনি।

আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক এসময় উপস্থিত ছিলেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি কোনো ফ্লাইট নেই। আমাদের দেশের প্রাইভেট এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট রয়েছে, তা-ও হোয়াংহোতে। 

তিনি বলেন, হোয়াংহোতে করোনাভাইরাস নেই। তারপরেও প্রতিনিয়ত মানুষের আসা-যাওয়া রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কোনো কিছুই থেমে নেই। 

মো. মাহাবুব আলী বলেন, আপনারা জানেন করোনাভাইরাস ৩২ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বিনষ্ট হয়। দুএকদিনের মধ্যে বাংলাদেশের তাপমাত্রাও ৩২-এ উঠে যাবে। সুতরাং করোনা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। 

পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের যেসব নাগরিক চীনে আতঙ্কিত ছিল তাদেরকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তাদেরকে বিশেষ তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তারা পাচ্ছে। তাদের মধ্যে এ ধরনের ভাইরাস নেই। আমাদের যে বিমানটি চীনে গিয়েছিল সেই বিমানটি জার্ম-ফ্রি হয়েছে। একটা বিমানকে জার্ম-ফ্রি করার জন্য ৬ ঘণ্টা যথেষ্ট, কিন্তু আমরা ওই বিমানটিকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত জার্ম-ফ্রি করেছি। সেই বিমানের ক্রু যারা ছিল তারা ১৪ দিন পর্যন্ত বিশ্বের অন্য কোনো দেশে যাচ্ছে না। সুতরাং যারা বিদেশে আছে তারা নিরাপদ, আমাদের দেশেও এ ধরনের কোনো ভাইরাস আসেনি। 

তিনি আরো বলেন, বিদেশ থেকে বাংলাদেশে এসে যে কেউই অনুভব করতে পারবেন বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ পর্যটনের ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ। অনুভব করতে পারবেন সমগ্র জাতি উন্মুখ হয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উৎযাপনে। বিশেষ করে কক্সবাজারসহ সব পর্যটন অঞ্চল নতুন সাজে সাজানো হবে।  

এমএএম/ এফসি