• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০১৯, ০৯:৪৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ৭, ২০১৯, ০৯:৪৩ পিএম

আড়াই লাখ টাকা খোয়া

প্রতারকের ফাঁদে উখিয়ার দুই ভাইস চেয়ারম্যান

উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
প্রতারকের ফাঁদে উখিয়ার দুই ভাইস চেয়ারম্যান
পুলিশের হাতে আটক প্রতারক নুর মানিক  -  ছবি : জাগরণ

প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভুলভাল বুঝিয়ে উখিয়ার দুই ভাইস চেয়ারম্যানের কাছ থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে  নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি প্রতারকের। কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জালে আটক হয়েছে বিকাশ জালিয়াতি চক্রের এক সদস্য।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় কক্সবাজার শহরের হলিডের মোড় থেকে তাকে আটক করা হয়।

জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর উখিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকর্তা পরিচয়ে চকরিয়ার চরণদ্বীপের মৃত আবদুল করিমের ছেলে মোহাম্মদ নুর মানিক (৩৪) ফোন করেন।

ফোনে তিনি জানান, উখিয়া উপজেলার হতদরিদ্র মানুষের জন্য রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নামে ২০০ প্যাকেট ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এ জন্য প্রতিটি প্যাকেটের জন্য পরিবহন খরচ বাবদ ৭০০ টাকা করে বিকাশে প্রদান করতে বলা হয়। হতদরিদ্রদের জন্য ত্রাণ বরাদ্দের কথা শুনে ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ওই ব্যক্তিকে বিকাশের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

একই ব্যক্তি মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নেছা বেবিকে মোবাইল ফোনে জানান, তার জন্যও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে ১৫০ প্যাকেট ত্রাণ বরাদ্দ দিয়েছেন। তাকেও প্যাকেটপ্রতি ৭০০ টাকা হারে পরিবহন খরচ বাবদ বিকাশে টাকা পাঠাতে বলা হয়।

তিনিও সরল মনে নুর মানিককে ১ লাখ টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু টাকা পাঠানোর পর থেকে ওই প্রতারকের সব নাম্বার বন্ধ পেয়ে দুই ভাইস চেয়ারম্যানের সন্দেহ হয়। ওই ব্যক্তি দুজনকেই আলাদাভাবে বোকা বানিয়ে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার হাতিয়ে নিয়ে সটকে পড়ে।

এদিকে এ বিষয়ে উখিয়া থানায় ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পেয়ে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও প্রতারককে আটক করতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়াকে দায়িত্ব দেয়া হয়। দায়িত্ব পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়া ও মাসুম খান ওই বিকাশ জালিয়াতির সদস্যকে ধরতে ফাঁদ পাতেন। কৌশলে অভিযান চালিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার শহরের হলিডের মোড় থেকে তাকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়া ও মাসুম খান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ওই প্রতারককে আটক করা হয়। তার সাথে আরও কারা জড়িত রয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে বলে জানান।

এনআই

আরও পড়ুন