• ঢাকা
  • রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২০, ০৪:৪১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৭, ২০২০, ০৪:৪১ পিএম

লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে ফেরি সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে

লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা
লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে ফেরি সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে
মজু চৌধুরীহাট ফেরিঘাটে আটকা পড়েছে পাঁচ শতাধিক যানবাহন  -  ছবি : জাগরণ

নাব্যতা সংকট, ডুবো চর ও পাতানো জালের কারণে ব্যাহত হচ্ছে লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটের ফেরি চলাচল। নদীর জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করেই এখন এই নৌরুটে চলাচল করছে ফেরি। তবুও পারাপারের সময় মেঘনা নদীর ডুবোচরে আটকা পড়তে হয়। এতে নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এই নৌরুটে চলাচলকারীরা।

এদিকে ফেরি কৃষাণি ও ফেরি কলমিলতা বিকল হওয়ার কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় গত ছয় দিন ধরে লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীহাট ফেরিঘাটে আটকা পড়েছে যাত্রীবাহী বাস, লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ পাঁচ শতাধিক যানবাহন। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন এ পথে যাতায়াতকারী যাত্রী ও যানবাহনের শ্রমিকরা।

লক্ষ্মীপুর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের সাথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীহাট ফেরিঘাট সার্ভিস ২০০৮ সালে চালু করে সরকার। এর পর থেকেই লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুট দিয়ে যাতায়াত করছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। বর্তমানে এই নৌরুটে কনকচাঁপা, কলমিলতা, কুসুমকলি ও কৃষাণি নামের চারটি ফেরি চলাচল করছে। কিন্তু ছয় দিন ধরে কৃষাণি ও কলমিলতা নামের দুটি ফেরি বিকল হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে এ রুট ব্যবহারকারীরা।

এছাড়া মজু চৌধুরীহাট ঘাটের প্রায় এক কিলোমিটার অদূরে মেঘনা নদীর সংযোগস্থল রহমতখালী চ্যানেল, বুড়ির খাল ও মেঘনা নদীর মতিহাট পয়েন্টে নাব্যতা সংকট, ডুবোচর ও পাতানো জালের কারণে প্রতিনিয়তই এ নৌরুটে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এতে লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে ফেরি চলাচল করছে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে। এতে করে সময় নষ্ট হওয়ায় পাশাপশি প্রতিদিন ফেরি ডুবোচরে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় এই নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীদের।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা কয়েকজন ট্রাকের চালক জানান, গত ছয় দিন ধরে দুটি ফেরি বিকল থাকায় সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করেছে। তাছাড়া ডুবোচরের কারণে ফেরি পারাপারে এখন সময় লাগে আট থেকে দশ ঘণ্টা। এতে করে ফেরি না পেয়ে পারাপারের জন্য দিনের পর দিন তাদের আটকা পড়ে থাকতে হয় মজু চৌধুরীহাট ঘাটে। এতে নষ্ট হচ্ছে ট্রাকে থাকা কাঁচামাল ও বিভিন্ন ধরনের পণ্যসামগ্রী। ঘাটে আটকা পড়ে থাকায় টাকার অভাবে না খেয়েও থাকতে হয় বলে জানান যানবাহন শ্রমিকরা।

এদিকে বিআইডব্লিউটিসি লক্ষ্মীপুর মজু চৌধুরীহাট ফেরিঘাটের সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক জানান, নদীর নাব্যতা সংকট, পাতানো জাল ও ডুবোচরের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। তবে কৃষাণি ও কলমিলতা নামের দুটি ফেরি বিকল হওয়ার কারণে পারাপারে কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এগুলো মেরামতের কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।

এনআই

আরও পড়ুন