• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
প্রকাশিত: আগস্ট ২২, ২০১৯, ০৮:৩৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ২২, ২০১৯, ০৮:৩৩ পিএম

চামড়া আড়তদারদের বকেয়া ৩ কিস্তিতে পরিশোধের সিদ্ধান্ত

জাগরণ প্রতিবেদক
চামড়া আড়তদারদের বকেয়া ৩ কিস্তিতে পরিশোধের সিদ্ধান্ত

ট্যানারি মালিকদের কাছে চামড়ার আড়তদারদের পাওনা ৪’শ কোটি টাকা ৩ কিস্তিতে পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। চামড়া ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে আরেকটি বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেবেন। আর আগামী ৩১ আগস্ট ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সঙ্গে বৈঠকে এই পাওনা পরিশোধের অগ্রগতি জানানো হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে ট্যানারি মালিক ও কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ট্যানারি মালিকদের কাছে আড়তদারদের যে ৪’শ কোটি টাকা পাওনা আছে, সেই পাওনা ৩ কিস্তিতে পরিশোধ করা হয়। এর মধ্যে ১৯৯০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সময়ের বকেয়া অর্থ একটি কিস্তিতে, ২০১০ সাল থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া একটি কিস্তিতে এবং ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া অন্য একটি কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে।

বৈঠকে জানানো হয়, আগামী শনিবার (২৪ আগস্ট) ট্যানারি মালিক ও আড়তদাররা আরও একটি বৈঠক করবেন। বকেয়াগুলো কিভাবে পরিশোধ করা হবে সে বিষয়ে ওই বৈঠকে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এছাড়া আগামী ৩১ আগস্ট উভয় পক্ষের চামড়া ব্যবসায়ীরা ফের এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ বৈঠকে আমরা সন্তুষ্ট কি না, এখনও বলতে পারছি না। ৩১ তারিখের বৈঠকের পর তা বলতে পারব। তবে আমরা আড়তদারদের বকেয়ার মধ্যে ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া সবার আগে দিতে চাই। 

বৈঠক শেষে ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, বৈঠকে আমরা সন্তুষ্ট। এবার আমরা নিজেরা বৈঠকে বসে ঠিক করে নেব, পাওনাগুলো কবে, কিভাবে আদায় করা হবে।

প্রসঙ্গত, আড়তদারদের পাওনা আদায়ে গত ১৮ আগস্ট সরকারের মধ্যস্থতায় বৈঠকে বসেন হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে ৩ ঘণ্টার ওই বৈঠকে চামড়া কেনাবেচায় সম্মত হন চামড়া ব্যবসায়ীরা।

এআই/একেএস

আরও পড়ুন

Islami Bank